ব্রেক্সিট-পরবর্তী দীর্ঘ শীতলতার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের পথে একটি প্রতীকী কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্য আবারও ইইউর বহুল আলোচিত শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি Erasmus student exchange scheme-এ যোগ দিচ্ছে।
এই সিদ্ধান্তকে লন্ডন ও ব্রাসেলসের মধ্যে আস্থার পুনর্গঠনের একটি সীমিত হলেও অর্থবহ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ব্রেক্সিটের ফলে যুক্তরাজ্য কর্মসূচিটি থেকে সরে দাঁড়ানোর পর ইউরোপজুড়ে শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, নতুন ঘোষণায় তার আংশিক অবসানের ইঙ্গিত মিলছে।
সরকারি ওই কর্মকর্তা বলেন, “এটি কোনো নীতিগত ইউটার্ন নয়, বরং বাস্তবতা থেকে নেওয়া একটি ব্যবহারিক সিদ্ধান্ত।” তাঁর ভাষায়, আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিনিময় ও তরুণদের সুযোগ সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এরাসমাস কর্মসূচি এখনো কার্যকর একটি প্ল্যাটফর্ম।
বিশ্লেষকদের মতে, বাণিজ্য বা অভিবাসন ইস্যুতে বড় কোনো সমঝোতা না হলেও, শিক্ষাক্ষেত্রে এই পুনঃসংযোগ United Kingdom ও European Union-এর সম্পর্কে নতুন এক ইতিবাচক সুর যোগ করতে পারে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম ও একাডেমিক মহলে এটি রাজনৈতিক বার্তার চেয়েও বেশি গুরুত্ব বহন করবে।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে, এই প্রত্যাবর্তন ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হবে এবং আর্থিক অবদান ও শর্তাবলীর বিষয়টি এখনো আলোচনার টেবিলে রয়েছে। তবুও, প্রতীকী দিক থেকে এই সিদ্ধান্ত ব্রেক্সিট-পরবর্তী ইউরোপ–যুক্তরাজ্য সম্পর্কে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলেই মনে করছেন নীতিনির্ধারকরা।