
ঢাকা/নয়াদিল্লি: বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, রাজনীতি থেকে অবসরের পূর্ববর্তী চিন্তা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের সংকটের সময়ে পাশে থাকা তাঁর নৈতিক দায়িত্ব।
ভারত থেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাসিনা বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তিনি নতুন নেতৃত্বের উত্থান দেখতে আগ্রহী এবং অতীতে একাধিকবার তরুণদের নেতৃত্বে আসার পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে অবসরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবসম্মত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আওয়ামী লীগ প্রধানের দাবি, দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি দলের পুনর্গঠন ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর জোর দেন। তাঁর ভাষায়, নেতৃত্ব কোনও পারিবারিক উত্তরাধিকার নয়; বরং দলীয় কাউন্সিল ও কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতেই তা নির্ধারিত হবে।
দলের সাংগঠনিক সংস্কার প্রসঙ্গে হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ বর্তমানে একটি “প্রাকৃতিক শুদ্ধকরণ” প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তিনি ইঙ্গিত দেন যে ভবিষ্যতে তরুণ, দেশপ্রেমিক এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নেতাদের সামনে আনা হবে।
বাংলাদেশে ফিরে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর প্রত্যাবর্তন কেবল ব্যক্তিগত বিষয় নয়, বরং দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রশ্নের সঙ্গেও জড়িত। তিনি দাবি করেন, জনগণের সমর্থন নিয়েই তিনি দেশে ফিরবেন এবং রাজনৈতিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু করবেন।