মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, প্রতিশোধমূলক হামলার প্রথম দুই দিনে তারা মার্কিন বাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এসব দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
আইআরজিসির এক মুখপাত্র বলেন, অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে চালানো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় সর্বোচ্চ ৬৫০ জন মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর ফিফথ ফ্লিটের সদরদপ্তরে একাধিকবার হামলা চালানো হয় এবং সেখানে ১৬০ জন হতাহত হয়।
তবে এসব দাবির স্বাধীনভাবে যাচাই এখনো সম্ভব হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সোমবার (২১০০ জিএমটি) সন্ধ্যা পর্যন্ত ইরান-সংক্রান্ত সামরিক অভিযানে ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। মার্কিন গণমাধ্যমে আরও ১৮ জন সেনা গুরুতর আহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি বলেও মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, একটি মার্কিন যুদ্ধ-সহায়ক জাহাজ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরীকে লক্ষ্য করে চারটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। তাদের দাবি, এর ফলে রণতরীটি ভারত মহাসাগরের দিকে সরে যেতে বাধ্য হয়।
তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, রণতরীতে কোনো আঘাত হানার ঘটনা ঘটেনি এবং ইরানের বক্তব্য ‘ভ্রান্ত তথ্য’। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুর কাছেও পৌঁছায়নি।