মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সামরিক স্থাপনা ও উচ্চমূল্যের রাডার সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের অনুমান অনুযায়ী, এসব হামলায় মোট প্রায় ১.৯ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।
ওপেন-সোর্স পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, বাহরাইন, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, কাতার ও সৌদি আরবের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক স্থাপনা এই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বাহরাইনে দুটি AN/GSC-52B কমিউনিকেশন রাডার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান ঘাঁটিতে তিনটি রাডোমে আঘাত লাগে, যেগুলো সাধারণত রাডার ও স্যাটেলাইট সরঞ্জাম সুরক্ষায় ব্যবহৃত হয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডানে THAAD (Terminal High Altitude Area Defense) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত AN/TPY-2 রাডার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
কাতারে একটি AN/FPS-132 প্রারম্ভিক সতর্কতা রাডার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসে অবস্থিত একটি সম্ভাব্য AN/TPY-2 রাডার সাইটে আঘাত হানার কথাও জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা, যদিও সেখানে ক্ষতির পরিমাণ এখনো স্পষ্ট নয়।
এই ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা এমন এক সময় ঘটছে যখন ইরান অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানগুলো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের হিসাবে, এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক সম্পদের মোট মূল্য প্রায় ১.৯ বিলিয়ন ডলার।