• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
CNN-এর মালিকানায় ইলন মাস্ক? Skydance ও ডেভিড এলিসনকে ঘিরে নতুন বিতর্ক ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার, গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের আশঙ্কাতেও ‘ভয় নেই’ ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত ‘অপরিণত’, তারেক রহমানকে শেখ হাসিনার সমালোচনা ওয়ার্ল্ড হেলথ সামিটে ড. ইউনূসের নাম প্রত্যাহারের দাবি: টিকাদান বিতর্কে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে বাংলাদেশ রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ, সরিয়ে নেওয়া হলো যাত্রীদের; ব্যাহত ফ্লাইট ভারতে স্টারলিংক লাইসেন্স নিয়ে ইলন মাস্কের প্রশ্ন, ‘আম্বানিই কি ভারতের আসল বস?’ এলন মাস্ক আবারও ট্রিলিয়ন-ডলারের ক্লাবে, সম্পদ বেড়ে $১ ট্রিলিয়ন ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে ককপাইলটের কুঠার হামলা: ওমানি নাগরিক হামাম আল-হামামির অতীত নিয়ে নতুন প্রশ্ন জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে অ্যালেক্স সোরোসের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক শেখ হাসিনা ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে দেশে ফেরার অঙ্গীকার করেছেন, কারাদণ্ড মেনেও লড়াই চালানোর বার্তা

পুতিনের শুভেচ্ছায় ট্রাম্প, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসে পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশের সহযোগিতার বার্তা

Reporter Name / ১৭২ Time View
Update : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্র হিসেবে যৌথ ভূমিকা এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা রক্ষায় পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশের বিশেষ দায়িত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ক্রেমলিন প্রকাশিত বার্তায় পুতিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর শুধু একটি নতুন রাষ্ট্রের জন্মের সূচনাই ছিল না, বরং এটি বিশ্ব ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তনের ঘটনা। তিনি উল্লেখ করেন, ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে উত্তর আমেরিকার উপনিবেশগুলোর স্বাধীনতার সংগ্রামের সময় রাশিয়া তাদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিল।

পুতিন বলেন, গত আড়াই শতকে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ইতিহাসে বহু গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যুক্ত হয়েছে। তাঁর ভাষায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধসহ দুটি বিশ্বযুদ্ধে দুই দেশ মিত্র হিসেবে লড়াই করেছে এবং নাৎসিবাদের বিরুদ্ধে বিজয়ে যৌথ অবদান রেখেছে। পাশাপাশি, যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে সমসাময়িক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার ভিত্তি গড়ে তুলতেও উভয় দেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

রুশ প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, বিশ্বের দুই বৃহত্তম পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে। তাঁর মতে, মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে গঠনমূলক, ভারসাম্যপূর্ণ এবং পারস্পরিক স্বার্থভিত্তিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা শুধু দুই দেশের জনগণের জন্যই নয়, বরং বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের স্বার্থেও গুরুত্বপূর্ণ।

বার্তার শেষাংশে পুতিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তাঁর পরিবারের সুস্বাস্থ্য, কল্যাণ এবং সাফল্য কামনা করেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd