গোপন গোয়েন্দা সূত্রের প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এখনো ইরানের বিরুদ্ধে বৃহৎ পরিসরের তথাকথিত ‘ডুমসডে’ সামরিক হামলা শুরু করেনি। এসব দাবিতে বলা হচ্ছে, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ এই অভিযানে ভূমিকা রাখছে বা প্রভাব বিস্তার করছে।
বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে দাবি করা হয়েছে, এমন অভিযানের লক্ষ্য হতে পারে ইরানের ইসলামিক শাসনব্যবস্থার অবসান, যার নেতৃত্বে রয়েছেন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীগুলোর দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকাকে উত্তেজনা প্রশমনের ইঙ্গিত হিসেবে নয়, বরং একটি বড় ও সম্ভাব্য ঐতিহাসিক ঘটনার আগে পরিকল্পিত নীরবতা হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
এসব প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোয়েন্দা সূত্রের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমান পরিস্থিতিকে বৃহত্তর উত্তেজনার পূর্ববর্তী কৌশলগত বিরতি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তবে দাবিগুলোর পক্ষে কোনো সামরিক প্রস্তুতির সুনির্দিষ্ট বিবরণ, সময়সূচি, সেনা মোতায়েনের তথ্য বা আনুষ্ঠানিক নথি উপস্থাপন করা হয়নি।
এ পর্যন্ত উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সমর্থনে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা প্রকাশ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি, যা সম্ভাব্য সামরিক সমন্বয় বা পরিকল্পিত অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে।