• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’ তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ: ছাত্র আন্দোলনের চাপ বাড়তেই সরে দাঁড়ালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে জমা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশ, ১০% ট্যারিফ কার্যকর ব্রিকস সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির, ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শীর্ষ সম্মেলন মোদির ঘোষণা: প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন ট্রাম্পের কথিত হুমকি: হরমুজ প্রণালীতে হামলা হলে ইরানের অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করার সতর্কবার্তা স্পেন বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন: আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয় ফিফা বিশ্বকাপ: ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয় ইংল্যান্ড, এমবাপ্পের নতুন গোলরেকর্ড

ইউনূসের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক অবহেলার অভিযোগ, অপসারণ চেষ্টার কথা বললেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

Reporter Name / ২৪৪ Time View
Update : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকার চলাকালে সাংবিধানিক যোগাযোগ বজায় রাখা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি দাবি করেন, তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বিদেশ সফর শেষে তাকে কোনো লিখিত ব্রিফিং দেননি এবং রাষ্ট্রীয় বিষয়েও অবহিত করেননি।

২০ ফেব্রুয়ারি বঙ্গভবনে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা একাধিকবার বিদেশ সফরে গেলেও সংবিধান অনুযায়ী সফরের ফলাফল জানাতে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি। তার ভাষায়, পুরো সময়জুড়ে তাকে “সম্পূর্ণ অন্ধকারে” রাখা হয়েছিল।

রাষ্ট্রপতির দাবি, ওই সময় তাকে অপসারণের জন্য একাধিক প্রচেষ্টা হয়েছিল। এমনকি অসাংবিধানিকভাবে একজন সাবেক প্রধান বিচারপতিকে তার স্থলাভিষিক্ত করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে সংশ্লিষ্ট বিচারপতি সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর বঙ্গভবনের সামনে বিক্ষোভকে তিনি “ভয়াবহ রাত” হিসেবে বর্ণনা করেন। তার অভিযোগ, সংঘবদ্ধ জনতাকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রপতির বাসভবনে বিশৃঙ্খলা ও লুটপাটের চেষ্টা হয়েছিল, যা পরে সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী ও বিএনপি নেতারা সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তাকে সমর্থন দিয়েছেন। তিন বাহিনীর প্রধানরা তাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে রাষ্ট্রপতির পদ রক্ষা করা রাষ্ট্রীয় কাঠামো রক্ষার অংশ।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার দপ্তরকে বিচ্ছিন্ন করতে বঙ্গভবনের পুরো প্রেস উইং একযোগে প্রত্যাহার করা হয়। এর ফলে নিয়মিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশও সম্ভব হচ্ছিল না এবং রাষ্ট্রপতির দপ্তর কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে।

রাষ্ট্রপতির ভাষ্য অনুযায়ী, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসে প্রকাশিত রাষ্ট্রীয় ক্রোড়পত্র থেকেও তার বার্তা ও ছবি বাদ দেওয়া হয়, যা তাকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার ইঙ্গিত দেয়।

এছাড়া বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলো থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরিয়ে ফেলার ঘটনাকেও তিনি অপসারণের প্রচেষ্টার পূর্বাভাস হিসেবে দেখছেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিখিত প্রতিবাদ জানিয়েছেন বলেও জানান।

“অপমানজনক পরিস্থিতি সত্ত্বেও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় আমি অটল ছিলাম,” — বলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন।

Xclusive Interview given by the President of Bangladesh to EWMGRP (Kaler Kantho)

For advertisement , write to : connect@ynewsglobal.com/ynewsglobal@gmail.com


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd