চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন করে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরুর ঘোষণাকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক ঝুঁকি বাড়ছে বলে সতর্ক করেছে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়িক সংগঠনগুলো। জাতীয় নির্বাচনের মাত্র চার দিন আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস-এর জরুরি ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ চেয়ে খোলা চিঠি দিয়েছে তারা।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া ওই চিঠিতে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ), বিজিএমইএ, বিকেএমইএ এবং বিটিএমএ জানায়, দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা রপ্তানি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
এর আগে বন্দর শ্রমিকরা রোববার সকাল ৮টা থেকে নতুন করে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দেয়। তাদের প্রধান দাবি—নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি অপারেটর DP World-এর কাছে ইজারা না দেওয়া, পাশাপাশি বর্তমান বন্দর চেয়ারম্যান অপসারণ এবং আগের আন্দোলনে নেওয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার।
শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন, ধর্মঘট চলাকালে জেটি ও আউটার অ্যাংকরেজ—দু’টিই কার্যত অচল থাকবে। এর ফলে কনটেইনার হ্যান্ডলিং, জাহাজ চলাচল ও আমদানি পণ্য খালাসে বড় ধরনের বিঘ্নের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
চিঠিতে ব্যবসায়ী নেতারা সতর্ক করে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশের অধিকাংশ আমদানি-রপ্তানি পরিচালিত হয়। এই সময়ে নতুন করে বন্ধ শুরু হলে শিল্প উৎপাদন, রপ্তানি চালান ও সরবরাহ শৃঙ্খলে মারাত্মক চাপ তৈরি হবে, যার প্রভাব পড়তে পারে পুরো অর্থনীতিতে।
For advertisement, write to ; connect@ynewsglobal.com/ynewsglobal@gmail.com