• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’ তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ: ছাত্র আন্দোলনের চাপ বাড়তেই সরে দাঁড়ালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে জমা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশ, ১০% ট্যারিফ কার্যকর ব্রিকস সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির, ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শীর্ষ সম্মেলন মোদির ঘোষণা: প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন ট্রাম্পের কথিত হুমকি: হরমুজ প্রণালীতে হামলা হলে ইরানের অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করার সতর্কবার্তা স্পেন বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন: আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয় ফিফা বিশ্বকাপ: ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয় ইংল্যান্ড, এমবাপ্পের নতুন গোলরেকর্ড

নির্বাচনের মাত্র চার দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তি, স্বচ্ছতা ঘিরে প্রশ্ন

Reporter Name / ২২৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র চার দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক শুল্ক (রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ) সংক্রান্ত একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। সময় নির্বাচন নিয়ে দেশ-বিদেশে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বিষয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

চুক্তিটি আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে স্বাক্ষর হওয়ার কথা, যদিও আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে এক দিন আগে, ৮ ফেব্রুয়ারি। তবে বাণিজ্য উপদেষ্টা স্ক. বশির উদ্দিন ও বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান অনুষ্ঠানে সরাসরি উপস্থিত থাকছেন না। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে অনলাইনে স্বাক্ষর করবেন বাণিজ্য উপদেষ্টা, যেটিতে তিনি ইতোমধ্যে ঢাকায় স্বাক্ষর করেছেন। স্বাক্ষরিত কপি ওয়াশিংটনে নিয়ে যাবেন পাঁচ সদস্যের সরকারি প্রতিনিধি দল।

নির্বাচনের এত কাছাকাছি সময়ে একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হলো—এ প্রশ্ন তুলছেন বিশ্লেষক ও পর্যবেক্ষকেরা। তাঁদের মতে, রপ্তানি কাঠামো, রাজস্ব নীতি ও দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্য স্বার্থে প্রভাব ফেলতে পারে—এমন চুক্তির বিষয়ে জনসমক্ষে বিস্তারিত আলোচনা বা সংসদীয় পর্যালোচনা না থাকায় সাধারণ ভোটাররা কার্যত অন্ধকারেই রয়ে গেছেন।

আরও বিস্ময়কর হলো, বড় বিরোধী দলগুলোর নীরবতা। এ বিষয়ে এখনো কোনো বক্তব্য দেয়নি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কিংবা জামায়াতে ইসলামী। সমালোচকদের মতে, এমন নীরবতা জাতীয় স্বার্থে রাজনৈতিক চিন্তা ও অবস্থানের দুর্বলতাই তুলে ধরে।

অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, চুক্তিটি নিয়মিত কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ। তবে নির্বাচন-পূর্ব মুহূর্তে স্বাক্ষরের সময় ও চুক্তির শর্তাবলি প্রকাশ না হওয়ায় আস্থা সংকট তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ। এখন নজর রয়েছে—নতুন সংসদ গঠনের পর চুক্তিটি নিয়ে পুনর্মূল্যায়ন বা পূর্ণাঙ্গ প্রকাশের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয় কি না। আপাতত, সময় নির্বাচন ও রাজনৈতিক নীরবতার কারণে চুক্তিটি প্রশ্নের মুখেই রয়ে গেছে।

For advertisement, write to : connect@ynewsglobal.com/ynewsglobal@gmail.com


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd