• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’ তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ: ছাত্র আন্দোলনের চাপ বাড়তেই সরে দাঁড়ালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে জমা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশ, ১০% ট্যারিফ কার্যকর ব্রিকস সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির, ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শীর্ষ সম্মেলন মোদির ঘোষণা: প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন ট্রাম্পের কথিত হুমকি: হরমুজ প্রণালীতে হামলা হলে ইরানের অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করার সতর্কবার্তা স্পেন বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন: আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয় ফিফা বিশ্বকাপ: ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয় ইংল্যান্ড, এমবাপ্পের নতুন গোলরেকর্ড

রাশিয়া-চীন সম্পর্ক ‘অভূতপূর্ব উচ্চতায়’, বেইজিং সফরের আগে পুতিনের বার্তা; বাণিজ্য ছাড়াল ২০০ বিলিয়ন ডলার

Reporter Name / ১১৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

চীনে সরকারি সফরের আগে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ ভাষণে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, মস্কো ও বেইজিংয়ের সম্পর্ক বর্তমানে “অভূতপূর্ব উচ্চতায়” পৌঁছেছে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে “দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু” উল্লেখ করে পুতিন বলেন, দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব এখন বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার অন্যতম বড় শক্তি হিসেবে কাজ করছে।

পুতিনের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৫ বছরে রাশিয়া-চীন সম্পর্ক শুধু রাজনৈতিক পর্যায়েই নয়, অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ইতোমধ্যে ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে এবং অধিকাংশ লেনদেন এখন রুবল ও ইউয়ানে সম্পন্ন হচ্ছে—যা পশ্চিমা ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর বড় ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, রাশিয়া ও চীন জাতিসংঘ, ব্রিকস এবং সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের মতো বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা রক্ষায় দুই দেশ একই অবস্থানে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধ-পরবর্তী বৈশ্বিক বাস্তবতায় রাশিয়া-চীন সম্পর্কের এই ঘনিষ্ঠতা পশ্চিমা জোটের জন্য নতুন কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ডলারবিহীন বাণিজ্য ব্যবস্থা, জ্বালানি সহযোগিতা এবং সামরিক সমন্বয় ভবিষ্যৎ বিশ্বরাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

পুতিন জানান, আসন্ন বেইজিং বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, শিক্ষা বিনিময় এবং নতুন অর্থনৈতিক প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে চালু হওয়া পারস্পরিক ভিসামুক্ত ভ্রমণ ব্যবস্থা ব্যবসা ও পর্যটন খাতে নতুন গতি আনবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd