• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’ তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ: ছাত্র আন্দোলনের চাপ বাড়তেই সরে দাঁড়ালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে জমা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশ, ১০% ট্যারিফ কার্যকর ব্রিকস সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির, ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শীর্ষ সম্মেলন মোদির ঘোষণা: প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন ট্রাম্পের কথিত হুমকি: হরমুজ প্রণালীতে হামলা হলে ইরানের অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করার সতর্কবার্তা স্পেন বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন: আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয়

গত এক বছরে ২৫৮টি পোশাক কারখানা বন্ধ: বিজিএমইএ সভাপতি

Reporter Name / ২৫৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫

গত এক বছরে দেশে ২৫৮টি রফতানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু।

তিনি বলেন, শ্রমিক অধিকারের নামে সংগঠিত আন্দোলনের কারণে কখনও কখনও উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে; এক অঞ্চলের অসন্তোষ অন্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে। গত বছরের আগস্ট থেকে এমন পরিস্থিতি সামলে উদ্যোক্তারা যখন ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন, তখন মাত্র ২০ জন শ্রমিক নিয়ে ট্রেড ইউনিয়ন করার সুযোগের সিদ্ধান্ত আবারও শিল্পখাতকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতারা।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ ভবনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন, চট্টগ্রাম বন্দরের মাশুল বৃদ্ধি এবং জ্বালানি সরবরাহ-সংক্রান্ত নানা ইস্যুতে তৈরি পোশাক শিল্পের বর্তমান চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন তিনি।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, “যদি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত না করেই আগামী বছর এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন হয়, তবে বিনিয়োগ ও রফতানি আয় দুটোই কমবে।”

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ অযৌক্তিকভাবে কার্যকর হলে বিদেশি বিনিয়োগ হ্রাস পাবে, রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং সামগ্রিক অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়বে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা না বাড়িয়ে মাশুল ৪১ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে ‘অযৌক্তিক’ উল্লেখ করে মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, “এ সিদ্ধান্ত রফতানি বাণিজ্যে বিপর্যয় ডেকে আনবে।”

এছাড়া মাত্র ২০ জন শ্রমিকের অংশগ্রহণে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের সুযোগ অস্থিরতা বাড়াবে বলে আশঙ্কা করেন তিনি। শ্রমিক কল্যাণ তহবিল ও সার্বজনীন পেনশন স্কিম কার্যকর করতে প্রশাসনিক জটিলতা ও ব্যয় বাড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিজিএমইএর সংবাদ সম্মেলনে শিল্পবান্ধব নীতি প্রণয়নে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। নেতাদের দাবি, সরকার বিদেশি স্বার্থে বেশি প্রভাবিত হচ্ছে, ফলে স্থানীয় উদ্যোক্তারা সমস্যায় পড়ছেন। মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, “দেশীয় উদ্যোক্তাদের সময় না দিয়ে বিদেশিদের অগ্রাধিকার দিলে রফতানি বাণিজ্যের ক্ষতির দায় নিতে হবে সরকারকেই।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd