• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’ তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ: ছাত্র আন্দোলনের চাপ বাড়তেই সরে দাঁড়ালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে জমা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশ, ১০% ট্যারিফ কার্যকর ব্রিকস সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির, ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শীর্ষ সম্মেলন মোদির ঘোষণা: প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন ট্রাম্পের কথিত হুমকি: হরমুজ প্রণালীতে হামলা হলে ইরানের অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করার সতর্কবার্তা স্পেন বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন: আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয়

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: দুইশোর বেশি আসনে এগিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টি, পনেরো বছরের শাসনের পর বড় ধাক্কায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস

Reporter Name / ১৩৪ Time View
Update : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এ নাটকীয় পরিস্থিতিতে স্পষ্টভাবে এগিয়ে রয়েছে  ভারতীয় জনতা পার্টি, যারা ইতিমধ্যেই দুইশোর বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা অনেকটাই অতিক্রম করেছে। অন্যদিকে, টানা পনেরো বছর ক্ষমতায় থাকা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়তে চলেছে বলে ইঙ্গিত মিলছে।

এই নির্বাচনটি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে কারণ এটি অনুষ্ঠিত হয়েছে ভোটার তালিকার ব্যাপক সংশোধনের পর, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনার জন্ম দেয়।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের শক্ত ঘাঁটি রক্ষার লড়াইয়ে নেমেছিলেন, যেখানে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন প্রাক্তন সহযোগী ও বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিশেষ করে ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরে উত্তেজনা ছিল সর্বোচ্চ পর্যায়ে, যা এই নির্বাচনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে ওঠে।

দুইশো চুরানব্বই আসনের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন একশো আটচল্লিশটি আসন। প্রাথমিক প্রবণতা অনুযায়ী, ভারতীয় জনতা পার্টি এককভাবেই এই সংখ্যাকে অনেকটাই ছাড়িয়ে যাচ্ছে, যা রাজ্যের রাজনৈতিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এই নির্বাচনে আরও কয়েকটি বিষয় প্রভাব ফেলেছে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও বামফ্রন্টের সীমিত উপস্থিতি এবং নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা হুমায়ুন কবির-এর দল, যা ভোটের সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে

দুই হাজার একুশ সালের নির্বাচনে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস দুইশো পনেরোটি আসন জিতে ক্ষমতা ধরে রাখলেও, ভারতীয় জনতা পার্টি সাতাত্তরটি আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে এসেছিল। তবে দুই হাজার ছাব্বিশ সালের ফলাফল সেই সমীকরণকে বদলে দিতে পারে, যা রাজ্যের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ধারাকে নতুন পথে নিয়ে যেতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল শুধু একটি সরকারের পরিবর্তন নয় এটি পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের বৃহত্তর রাজনৈতিক মনোভাবের পরিবর্তনের প্রতিফলন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd