• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’ তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ: ছাত্র আন্দোলনের চাপ বাড়তেই সরে দাঁড়ালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে জমা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশ, ১০% ট্যারিফ কার্যকর ব্রিকস সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির, ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শীর্ষ সম্মেলন মোদির ঘোষণা: প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন ট্রাম্পের কথিত হুমকি: হরমুজ প্রণালীতে হামলা হলে ইরানের অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করার সতর্কবার্তা

লুইসভিলে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা: ইউপিএস কার্গো প্লেন বিধ্বস্তে অন্তত ৭ জনের মৃত্যু

Johnson Riters / ৩৯৪ Time View
Update : বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেনটাকি অঙ্গরাজ্যের লুইসভিলে মঙ্গলবার ভয়াবহ এক বিমান দুর্ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। ইউপিএসের একটি কার্গো বিমান (McDonnell Douglas MD-11) শহরের বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই বিধ্বস্ত হয়, যার ফলে আগুনে প্রায় একটি পুরো সিটি ব্লক জ্বলে যায়।

দুর্ঘটনাটি ঘটে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে, যখন বিমানটির বাম ডানা আগুনে জ্বলে ওঠে। ১৯৯১ সালে তৈরি এই বিমানটি লুইসভিলের মোহাম্মদ আলি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হাওয়াইয়ের হনলুলুর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল।

কেনটাকির গভর্নর অ্যান্ডি বেসিয়ার জানিয়েছেন, আরও ১১ জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। নিহতদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। লুইসভিল ফায়ার ডিপার্টমেন্টের প্রধান ব্রায়ান ও’নিল জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে চারজন বিমানটিতে ছিলেন না।

দুর্ঘটনার পর লুইসভিল বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়, এবং বুধবার সকাল পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

লুইসভিলেই অবস্থিত ইউপিএসের সবচেয়ে বড় প্যাকেজ হ্যান্ডলিং সেন্টার “ওয়ার্ল্ডপোর্ট,” যেখানে প্রতিদিন প্রায় ৩০০টি ফ্লাইট পরিচালিত হয় এবং প্রতি ঘণ্টায় ৪ লাখের বেশি প্যাকেজ প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

ইউপিএস এক বিবৃতিতে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (NTSB) ঘটনার তদন্ত করবে। কোম্পানি জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে তাদের প্যাকেজ বাছাই কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমানে কোনও বিপজ্জনক মালামাল ছিল না।

একজন বিমান বিশেষজ্ঞ অ্যাটর্নি বলেন, বিমানের বাম পাশে আগুন লাগার পর সেটি উচ্চতা অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছিল। প্রচুর জ্বালানি থাকার কারণে আগুন দ্রুত ভয়াবহ রূপ নেয়।

“বিমানটি নিজেই যেন জ্বালানি ভর্তি একটি বোমায় পরিণত হয়েছিল,” তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, পাইলট আগুন লক্ষ্য করেছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। এমন পরিস্থিতিতে রানওয়ে ত্যাগ না করে থেমে যাওয়া আরও বড় বিপদের কারণ হতে পারত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd