• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মোদি-তারেক বৈঠক নিয়ে টানাপোড়েন: ২২-২৪ আগস্টের সময়সীমা, ‘অনুকূল পরিবেশ’ চায় ঢাকা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, ২০১৭-এর মিরপুরের পর নতুন ইতিহাস ডারউইনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশে শিল্পে স্থবিরতা, বাড়ছে বেকারত্ব বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’

বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা

Reporter Name / ৫২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ বাংলাদেশে আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (AQIS)–এর সেল গঠনের সম্ভাব্য প্রচেষ্টা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে।

নিরাপত্তা পরিষদের ইসলামিক স্টেট ও আল-কায়েদা বিষয়ক Analytical Support and Sanctions Monitoring Team-এর ৩৮তম প্রতিবেদনে এ উদ্বেগ উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটি ২০২৪ সালের রেজোলিউশন ২৭৩৪-এর অধীনে জমা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের নভেম্বরে দিল্লির লালকেল্লায় হামলাটি ভারতীয় কর্তৃপক্ষ AQIS-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে চিহ্নিত করেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে সংগঠনটির সেল প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্য ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, AQIS একটি খণ্ডিত সংগঠন থেকে ধীরে ধীরে আঞ্চলিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কে রূপ নিচ্ছে। সংগঠনটি লজিস্টিক ও আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে এবং বড় সাংগঠনিক কাঠামোর বদলে ছোট, বিচ্ছিন্ন ও বিকেন্দ্রীভূত সেলের ওপর বেশি নির্ভর করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সামগ্রিক সন্ত্রাসী হুমকির মাত্রা মোটামুটি অপরিবর্তিত থাকলেও সাহেল ও দক্ষিণ এশিয়ায় তা বেড়েছে। আল-কায়েদার শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও প্রান্তিক অবস্থানে রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে হামলা চালানোর সক্ষমতা ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত চিত্র পাওয়া যায়নি।

আফগানিস্তান নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। দেশটিতে ইসলামিক স্টেট খোরাসান (ISIL-K)সহ একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। তালেবান কর্তৃপক্ষ ISIL-K ও অন্যান্য গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিলেও সন্ত্রাসী হুমকি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্ত উত্তেজনা, আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে JNIM ও ইসলামিক স্টেটের প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ইয়েমেনে AQAP-এর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মধ্য আফ্রিকায় ADF-এর বিস্তারের কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

জাতিসংঘের মতে, আল-কায়েদা ও ইসলামিক স্টেটের বিভিন্ন আঞ্চলিক শাখা অর্থ সংগ্রহের অন্যতম উপায় হিসেবে মুক্তিপণের জন্য অপহরণকে অগ্রাধিকার দিয়ে চলেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd