• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ট্রাম্পের চিঠি তারেক রহমানকে, বোয়িং কেনায় কৃতজ্ঞতা লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর ঘোষণা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মোদি-তারেক বৈঠক নিয়ে টানাপোড়েন: ২২-২৪ আগস্টের সময়সীমা, ‘অনুকূল পরিবেশ’ চায় ঢাকা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, ২০১৭-এর মিরপুরের পর নতুন ইতিহাস ডারউইনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশে শিল্পে স্থবিরতা, বাড়ছে বেকারত্ব বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে তেলের দামে উল্লম্ফন: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় ব্যারেলপ্রতি মূল্য পৌঁছাতে পারে $১৭০

Reporter Name / ২৫২ Time View
Update : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলা এবং তার পাল্টা জবাবে ইরানের প্রতিশোধমূলক আক্রমণের পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হঠাৎ করেই লাফিয়ে বেড়েছে।

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডর হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী দুটি জাহাজে হামলার ঘটনায় বাজারে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বে সরবরাহ হওয়া মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। ফলে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হলে রপ্তানি কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

সোমবার সকালে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮.৬% বেড়ে দাঁড়ায় ৭২.৭৯ ডলারে, যা শুক্রবার ছিল প্রায় ৬৭ ডলার। ব্রেন্ট ক্রুডও একইভাবে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখিয়েছে।

বাজার এখন সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের ঝুঁকি মূল্যায়ন করছে। পরিস্থিতি আরও চার সপ্তাহ স্থায়ী হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ থেকে ১৭০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। এমন পরিস্থিতি বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি বাড়াবে, বাণিজ্য ব্যাহত করবে এবং অনেক দেশের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দিতে পারে।

তবে তেলের উচ্চমূল্য থেকে সুবিধা পেতে পারে প্রধান রপ্তানিকারক দেশগুলো ও যুক্তরাষ্ট্রের শেল উৎপাদকরা। সামনের দিনগুলোতে সংঘাতের বিস্তার এবং হরমুজ প্রণালীতে তেল পরিবহন স্বাভাবিক থাকে কিনা—তার ওপরই নির্ভর করবে বাজারের পরবর্তী দিকনির্দেশনা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd