• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’ তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ: ছাত্র আন্দোলনের চাপ বাড়তেই সরে দাঁড়ালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে জমা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশ, ১০% ট্যারিফ কার্যকর ব্রিকস সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির, ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শীর্ষ সম্মেলন মোদির ঘোষণা: প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন ট্রাম্পের কথিত হুমকি: হরমুজ প্রণালীতে হামলা হলে ইরানের অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করার সতর্কবার্তা স্পেন বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন: আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয়

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ২০২৫: মিরপুরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা, ১৯৭১-এর ক্ষত আজও বহমান

Reporter Name / ৬৬৫ Time View
Update : রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশ আজ গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করছে। পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের প্রাক্কালে পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞে যাঁরা প্রাণ হারান, তাঁদের প্রতি জাতির এই সম্মিলিত শ্রদ্ধাঞ্জলি।

রোববার ভোরে ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ-এ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিনপ্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। সকাল ৭টা ৩ মিনিটে রাষ্ট্রপতি এবং ৭টা ২২ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তাঁরা নীরবতা পালন করেন। করুণ সুরে বেজে ওঠে বিউগল, শহীদদের উদ্দেশে সশস্ত্র সালাম জানায় সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল।

পরবর্তী সময়ে প্রধান উপদেষ্টা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বজন, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, প্রধান বিচারপতি ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞের নেপথ্য কাহিনি

পরাজয়ের আশঙ্কায় ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ও তাদের সহযোগী রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী ঢাকায় বসবাসরত দেশের খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক ও শিক্ষকদের নিজ নিজ বাসা থেকে অপহরণ করে। চোখ বেঁধে নিয়ে গিয়ে তাঁদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়—নবজাত রাষ্ট্রের বুদ্ধিবৃত্তিক নেতৃত্বকে শূন্য করার ঘৃণ্য উদ্দেশ্যে।

নিহতদের মরদেহ ফেলে রাখা হয় মিরপুর ও রায়েরবাজার-এর বধ্যভূমিতে।

রাষ্ট্রের স্মরণ ও বার্তা

প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করে। দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বার্তায় রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, বুদ্ধিজীবীরা একটি জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির অন্যতম রূপকার। জ্ঞানভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে তাঁদের ভূমিকা অপরিসীম। তিনি বলেন, স্বাধীনতার প্রাক্কালে এই হত্যাযজ্ঞের ক্ষত আজও জাতির বুকে গভীরভাবে দগদগে।

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর বার্তায় বলেন, বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে দেশকে মেধাশূন্য ও মনোবলহীন করতেই দখলদার বাহিনী ও তাদের দোসররা এই নৃশংসতা চালায়। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্ন ছিল একটি গণতান্ত্রিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ—সে স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায় আজও আমাদের কাঁধে।

১৯৭১-এর সেই অন্ধকার অধ্যায় স্মরণ করিয়ে দেয়—স্বাধীনতা কেবল ভূখণ্ড নয়, বুদ্ধিবৃত্তিক শক্তিরও ফসল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd