ইউনুস নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্ট আজ নির্বাচনকালীন কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করেছে, তবে তা আগামী নির্বাচনে প্রযোজ্য হবে না—কার্যকর হবে পরবর্তী ভোট থেকে। সমালোচকদের মতে, এই রায় কার্যত সরকারের পছন্দমতো সিদ্ধান্তকে বৈধতা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে—যদি কেয়ারটেকার সরকার প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হয়, তবে তা আসন্ন নির্বাচনেও কেন প্রযোজ্য নয়? বর্তমান প্রশাসনকে কেয়ারটেকারের মানদণ্ড অনুযায়ী বৈধ ধরা হচ্ছে না বলেই অনেকের অভিযোগ।
সরকার বিরোধী শিবিরের দাবি, আসন্ন নির্বাচন কেয়ারটেকারের অধীনে না হলে ভোট অনিয়মের ঝুঁকি বাড়বে, বিশেষ করে যখন আওয়ামী লীগ ও প্রগতিশীল দলগুলোকে কার্যত নিষিদ্ধ বা সীমিত রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে।
এদিকে আওয়ামী লীগ বলছে, ইউনুস সরকারের সময় দলটির নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের অভিযোগ—সরকার সরাসরি সহিংসতার আহ্বান দিয়েছে, কর্মীরা হামলার শিকার হয়েছে, হাজারো নেতা এবং শতাধিক সংসদ সদস্য দেড় বছর ধরে বিচার ছাড়াই কারাগারে রয়েছেন। গোপালগঞ্জে নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর সামরিক বাহিনীর গুলিতে প্রাণহানির ঘটনাও তারা উল্লেখ করছে। পুলিশের বারবার গুলি করার নির্দেশের অভিযোগও তোলা হয়েছে।
এখন সরকার যে নির্বাচনটি আয়োজন করতে যাচ্ছে, সেই ভোটে কেয়ারটেকার ব্যবস্থার অবলোপন সমালোচনার নতুন কেন্দ্রবিন্দু। বিরোধীদের প্রশ্ন—এই পরিস্থিতি গ্রহণযোগ্য হলে, তাহলে পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোরও বৈধতা কোথায়?