ঢাকা — দীর্ঘ ১৭ বছর স্বেচ্ছা নির্বাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার ভোরে লন্ডন থেকে ঢাকায় পৌঁছান তিনি। তার প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ও রাজনৈতিক কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
২০০৮ সালের পর থেকে বিদেশে অবস্থান করা তারেক রহমানের দেশে ফেরা এমন এক সময়ে হলো, যখন বাংলাদেশর রাজনীতি নির্বাচন-পূর্ব অনিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক চাপ এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক নজরদারির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তার প্রত্যাবর্তন বিরোধী রাজনীতিতে নতুন গতি আনতে পারে এবং ক্ষমতাসীন ও বিরোধী শিবিরের কৌশলে পরিবর্তন আনবে।
বিএনপি সূত্র জানায়, দেশে ফেরার পরপরই তারেক রহমান দলীয় শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক রোডম্যাপ নির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা নেবেন। দলটি আশা করছে, তার উপস্থিতি সংগঠনকে আরও ঐক্যবদ্ধ করবে এবং মাঠের রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনা আনবে।
অন্যদিকে, সরকার পক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে ক্ষমতাসীন দলের একাধিক নেতা ইঙ্গিত দিয়েছেন, আইনের শাসন ও বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রশ্নে সরকার তাদের অবস্থানে অনড় থাকবে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্পমেয়াদে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়লেও বিনিয়োগকারীরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখবে। দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নীতিগত স্পষ্টতাই অর্থনীতির জন্য নির্ধারক হবে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন সেই সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করল।
For advertisement, write to : connect@ynewsglobal.com/ynewsglobal@gmail.com