• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মোদি-তারেক বৈঠক নিয়ে টানাপোড়েন: ২২-২৪ আগস্টের সময়সীমা, ‘অনুকূল পরিবেশ’ চায় ঢাকা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, ২০১৭-এর মিরপুরের পর নতুন ইতিহাস ডারউইনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশে শিল্পে স্থবিরতা, বাড়ছে বেকারত্ব বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’

ইরানের নারী ফুটবল দলকে আশ্রয় দিতে অস্ট্রেলিয়াকে ট্রাম্পের আহ্বান, দেশে ফেরালে জীবনের ঝুঁকির সতর্কতা

Reporter Name / ২৬৫ Time View
Update : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প অস্ট্রেলিয়াকে ইরানের জাতীয় নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের আশ্রয় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, তাদের জোর করে ইরানে ফেরত পাঠানো হলে তারা গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল–এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষের সম্ভাব্য সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। তিনি এটিকে একটি “ভয়াবহ মানবিক ভুল” বলে উল্লেখ করেন এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রীর প্রতি খেলোয়াড়দের আশ্রয় দেওয়ার আহ্বান জানান।

ট্রাম্প লিখেছেন, অস্ট্রেলিয়া যদি ইরানের নারী ফুটবল দলকে জোর করে ইরানে ফেরত পাঠায়, তাহলে সেটি একটি গুরুতর মানবিক ভুল হবে। তিনি বলেন, তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হলে তারা প্রাণঘাতী ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন। এ কারণে তিনি অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান যাতে তাদের আশ্রয় দেওয়া হয়।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, যদি অস্ট্রেলিয়া আশ্রয় দিতে অস্বীকার করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের গ্রহণ করতে প্রস্তুত। তিনি উল্লেখ করেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র খেলোয়াড়দের আশ্রয় দিতে পারে।

এই মন্তব্যের মাধ্যমে ট্রাম্প এমন একটি ইস্যুতে অবস্থান নিয়েছেন, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার, অভিবাসন নীতি এবং ইরানে নারী ক্রীড়াবিদদের অবস্থান নিয়ে চলমান বিতর্কের সঙ্গে সম্পর্কিত।

ইরানের নারী ক্রীড়াবিদরা অতীতেও বিভিন্ন বিধিনিষেধ, সামাজিক চাপ এবং রাজনৈতিক সংবেদনশীলতার মুখোমুখি হয়েছেন। বিশেষ করে পোশাকবিধি ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ নিয়ে তাদের ওপর কঠোর নিয়ম আরোপ করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ এখনো ট্রাম্পের এই মন্তব্যের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। ইরানের নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের অভিবাসন অবস্থা বা সম্ভাব্য আশ্রয় আবেদন সম্পর্কেও স্পষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি অস্ট্রেলিয়া তাদের আশ্রয় না দেয় এবং দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে বিষয়টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন ও বিশ্ব রাজনীতির নজরে আরও বড়ভাবে উঠে আসতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd