• শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’ তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ: ছাত্র আন্দোলনের চাপ বাড়তেই সরে দাঁড়ালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে জমা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশ, ১০% ট্যারিফ কার্যকর ব্রিকস সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির, ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শীর্ষ সম্মেলন মোদির ঘোষণা: প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন

ইরানে গণবিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ‘শাসন ব্যবস্থা ভাঙনের মুখে’

Reporter Name / ২৬৭ Time View
Update : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬

ইরানের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে সরকারবিরোধী স্লোগানে মুখর করে তুলেছে জনজীবন। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সীমিত কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে—জ্বলছে গাড়ি ও মোটরবাইক, উল্টে দেওয়া হয়েছে যানবাহন, আগুনে পুড়ছে দোকানপাট ও ভবন।

মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের শীর্ষ নেতা “পালানোর পথ খুঁজছেন” এবং দেশটি এখন “ধসে পড়ার একেবারে কিনারায়” দাঁড়িয়ে আছে।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “এত বড় বিক্ষোভ কেউ আগে দেখেনি। এই মানুষগুলো সম্পূর্ণ নিরস্ত্র, কিন্তু তারা তাদের দেশকে ভালোবাসে। তারা পরিবর্তন চায়।”

তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে “ভয়াবহ কঠোর ব্যবস্থা” নেবে।
“আমি ইরানকে স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দিয়েছি যদি তারা এই মানুষের সঙ্গে খারাপ কিছু করে, আমরা তাদের খুব শক্তভাবে আঘাত করব,” বলেন ট্রাম্প।

এদিকে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ইরানজুড়ে ইন্টারনেট ও যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়, ফলে দেশটি কার্যত বাইরের বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তবুও যেসব ভিডিও বাইরে এসেছে, তাতে দেখা গেছে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ বাড়ছে।

সব বাধা সত্ত্বেও বিক্ষোভ থামার লক্ষণ নেই বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বিক্ষোভের জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছেন। শুক্রবার দেওয়া তার প্রথম প্রকাশ্য বক্তব্যে তিনি বিক্ষোভকারীদের “নাশকতাকারী” ও “সন্ত্রাসী এজেন্ট” বলে অভিহিত করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আন্দোলন ইরানের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd