• শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মোদি-তারেক বৈঠক নিয়ে টানাপোড়েন: ২২-২৪ আগস্টের সময়সীমা, ‘অনুকূল পরিবেশ’ চায় ঢাকা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, ২০১৭-এর মিরপুরের পর নতুন ইতিহাস ডারউইনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশে শিল্পে স্থবিরতা, বাড়ছে বেকারত্ব বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’

ইরানে বিক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন, ‘সাহসী জনগণের পাশে আছি’— বললেন মার্কো রুবিও

Reporter Name / ২৬৫ Time View
Update : শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬

ইরানে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী গণবিক্ষোভ নতুন করে আন্তর্জাতিক রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাহসী জনগণের পাশে আছে।” তার এই মন্তব্যকে তেহরানের প্রতি ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক চাপ আরও জোরালো করার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শনিবার ইরানে শুরু হওয়া এই ব্যাপক বিক্ষোভ দুই সপ্তাহে গড়িয়েছে। দেশটির বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে। বিক্ষোভ দমাতে কড়া অবস্থান নিয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ। দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল ঘোষণা দিয়েছেন, যারা এই আন্দোলনে অংশ নেবে, তাদের “ঈশ্বরের শত্রু” হিসেবে গণ্য করা হবে—যা ইরানের আইনে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ।

বিশ্লেষকদের মতে, রুবিওর বক্তব্য শুধু প্রতীকী সমর্থন নয়, বরং এটি ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর কূটনৈতিক অবস্থানেরই ধারাবাহিকতা। ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরেই তেহরানের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে।

ব্লুমবার্গ স্টাইল বিশ্লেষণে বলা যায়, এই বিক্ষোভ ইরানের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে, আর একই সঙ্গে এটি মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। পশ্চিমা দেশগুলোর সমর্থন এবং ইরানি সরকারের কঠোর দমননীতির মুখোমুখি সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজার এবং কূটনৈতিক মহল সতর্ক নজরে তাকিয়ে আছে—এই আন্দোলন ইরানের রাজনীতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় কতটা গভীর প্রভাব ফেলে, সেটিই এখন মূল প্রশ্ন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd