• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মোদি-তারেক বৈঠক নিয়ে টানাপোড়েন: ২২-২৪ আগস্টের সময়সীমা, ‘অনুকূল পরিবেশ’ চায় ঢাকা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, ২০১৭-এর মিরপুরের পর নতুন ইতিহাস ডারউইনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশে শিল্পে স্থবিরতা, বাড়ছে বেকারত্ব বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’

চট্টগ্রাম বন্দর: লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল উন্নয়ন-পরিচালনায় এপিএম টার্মিনালের সঙ্গে ৩০ বছরের চুক্তি

Reporter Name / ৫১৪ Time View
Update : সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (সিপিএ) এবং এপিএম টার্মিনালস বি.ভি. (নেদারল্যান্ডস-ভিত্তিক এবং এপি মোলার–মার্স্ক গ্রুপের অধীন প্রতিষ্ঠান) লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল (এলসিটি) উন্নয়ন ও পরিচালনায় ৩০ বছরের কনসেশন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে এই মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ থাকবে। এটি বাংলাদেশের বন্দর খাতে অন্যতম বড় বিদেশি বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রবিবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিপিং উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। অনুষ্ঠানে ডেনমার্কের স্টেট সেক্রেটারি ফর ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিনা গান্দলসে হ্যানসেন, ডেনিশ রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার এবং এপি মোলার–মার্স্ক বোর্ড চেয়ারম্যান রবার্ট মার্স্ক উগলা অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।

এ চুক্তির অংশ হিসেবে এপিএম টার্মিনালস সিপিএ-কে ২৫০ কোটি টাকা সাইনিং মানি প্রদান করেছে এবং আগামী তিন বছরে প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৬,৭০০ কোটি টাকা) বিনিয়োগ করবে বলে জানানো হয়। প্রতিষ্ঠানটি টার্মিনালটির ডিজাইন, ফাইন্যান্স, নির্মাণ ও পরিচালনা করবে।

লালদিয়া টার্মিনালটি কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী কৌশলগত স্থানে নির্মিত হবে যা চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো, জট কমানো, বড় জাহাজ গ্রহণ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যগত প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অপারেশনে সহায়তা করবে। টার্মিনালের কার্যক্রম ২০২৮ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যেই শুরু হতে পারে বলে জানানো হয়।

সিপিএ চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মোনিরুজ্জামান বলেন, “দেশে কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা দ্রুত বাড়ানোর প্রয়োজন; বর্তমানে ৩.৩ মিলিয়ন টিইইউ হ্যান্ডলিং করা হলেও সক্ষমতা ইতোমধ্যেই ছাড়িয়ে গেছে। আগামী পাঁচ বছরে আরও ১.৫ মিলিয়ন টিইইউ হ্যান্ডলিং প্রয়োজন হবে।”

এপি মোলার–মার্স্ক চেয়ারম্যান উগলা বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনের জন্য এটি সঠিক সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। আধুনিক, নিরাপদ, অটোমেশন-সমৃদ্ধ ও টেকসই একটি গ্রীনফিল্ড টার্মিনাল তৈরি হবে, যা দেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতা বাড়াবে এবং বড় জাহাজ আগমনের পথ সুগম করবে।”

উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “এই প্রকল্প তরুণদের জন্য বড় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে এবং বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির নতুন অধ্যায় শুরু হলো।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd