• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মোদি-তারেক বৈঠক নিয়ে টানাপোড়েন: ২২-২৪ আগস্টের সময়সীমা, ‘অনুকূল পরিবেশ’ চায় ঢাকা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, ২০১৭-এর মিরপুরের পর নতুন ইতিহাস ডারউইনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশে শিল্পে স্থবিরতা, বাড়ছে বেকারত্ব বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’

চীনের কড়া প্রতিক্রিয়া: তাইওয়ানকে অস্ত্র বিক্রিতে যুক্ত মার্কিন কোম্পানি ও নির্বাহীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা

Reporter Name / ২০৮ Time View
Update : শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

চীন তাইওয়ানকে অস্ত্র বিক্রির সঙ্গে জড়িত একাধিক মার্কিন প্রতিরক্ষা কোম্পানি ও তাদের শীর্ষ নির্বাহীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর চীনে থাকা সম্পদ জব্দ করা হয়েছে এবং ব্যক্তি ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে সব ধরনের লেনদেন নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে নর্থরপ গ্রুম্যান সিস্টেমস কর্পোরেশন, এল৩হ্যারিস মেরিটাইম সার্ভিসেস এবং সেন্ট লুইসভিত্তিক বোয়িং-এর সংশ্লিষ্ট ইউনিট। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিল ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিষ্ঠাতা পামার লাকি-ও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছেন। ফলে তিনি আর চীনে ব্যবসা করতে পারবেন না এবং দেশটিতে প্রবেশের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এই পদক্ষেপ এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের একটি অস্ত্র বিক্রির প্যাকেজ ঘোষণার পর, যা এখনো মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পেলে এটি হবে তাইওয়ানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অস্ত্র সহায়তা প্যাকেজ।

চীন বরাবরই তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে আসছে এবং বলছে, দ্বীপটিকে শেষ পর্যন্ত মূল ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণে আনতেই হবে। বেইজিংয়ের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই অস্ত্র বিক্রি চীন–মার্কিন কূটনৈতিক সমঝোতার লঙ্ঘন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি “লাল রেখা” অতিক্রম করার শামিল।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “তাইওয়ান ইস্যু চীনের মূল স্বার্থের কেন্দ্রবিন্দুতে। যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি এমন একটি সীমা, যা অতিক্রম করা উচিত নয়।” বিবৃতিতে আরও সতর্ক করে বলা হয়, “যে কোনো কোম্পানি বা ব্যক্তি যারা তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রিতে যুক্ত থাকবে, তাদের এর মূল্য দিতে হবে।”

বেইজিং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে “তাইওয়ানকে সশস্ত্র করার বিপজ্জনক পদক্ষেপ” বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।

তাইওয়ান ইস্যু বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্কের অন্যতম বড় উত্তেজনার কেন্দ্র। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এই বিরোধ যে কোনো সময় সামরিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনের সামরিক তৎপরতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে—প্রায় প্রতিদিনই যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমানের যৌথ মহড়া চালানো হচ্ছে তাইওয়ানের আকাশসীমা ও জলসীমার আশপাশে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইনে তাইওয়ানের আত্মরক্ষায় সহায়তা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, যা বেইজিংয়ের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলছে। বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও মানবাধিকার ইস্যুতে আগে থেকেই টানাপোড়েনের মধ্যে থাকা দুই পরাশক্তির সম্পর্ক এই সিদ্ধান্তে নতুন করে চাপের মুখে পড়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd