চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, কূটনৈতিক সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ অংশীদারিত্ব আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
শুভেচ্ছা বিনিময়কে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ধারাবাহিকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অবকাঠামো উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি এবং প্রযুক্তি খাতে দুই দেশের সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে। কূটনৈতিক মহলের মতে, উচ্চপর্যায়ের এ ধরনের যোগাযোগ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
বাংলাদেশ ও চীন দীর্ঘদিন ধরে কৌশলগত অর্থনৈতিক সহযোগিতা, সংযোগ অবকাঠামো এবং উন্নয়ন প্রকল্পে একসঙ্গে কাজ করে আসছে। সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের ধারণা, ভবিষ্যতেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।
তবে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় নির্দিষ্ট কোনো নতুন চুক্তি বা সমঝোতা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।