• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মোদি-তারেক বৈঠক নিয়ে টানাপোড়েন: ২২-২৪ আগস্টের সময়সীমা, ‘অনুকূল পরিবেশ’ চায় ঢাকা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, ২০১৭-এর মিরপুরের পর নতুন ইতিহাস ডারউইনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশে শিল্পে স্থবিরতা, বাড়ছে বেকারত্ব বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’

ট্রাম্পের ‘গাজা শান্তি পরিষদে’ এরদোয়ান: আঞ্চলিক শক্তিধরদের নিয়ে নতুন কূটনৈতিক চাল

Reporter Name / ২৬২ Time View
Update : শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানকে প্রস্তাবিত “গাজা শান্তি পরিষদে” আমন্ত্রণ জানানোর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য কূটনীতিতে একটি ভিন্নধর্মী কৌশলের ইঙ্গিত দিলেন। কাগজে-কলমে এটি তুরস্ককে আলোচনার টেবিলে একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন দিলেও, বাস্তবে এটি দেখাচ্ছে যে ট্রাম্প ঐতিহ্যবাহী জাতিসংঘ-নির্ভর প্রক্রিয়ার বদলে আঞ্চলিক শক্তিধর নেতাদের নিয়েই সমাধান খুঁজতে চাইছেন।

হোয়াইট হাউসের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর মতে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য গাজা সংকট নিয়ে দ্রুত রাজনৈতিক সমঝোতার পথ তৈরি করা, যেখানে بيرোক্র্যাটিক কাঠামোর চেয়ে ব্যক্তিগত প্রভাব ও শক্ত অবস্থানের নেতাদের ভূমিকা বেশি গুরুত্ব পাবে। ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ধীরগতির সমালোচনা করে আসছেন এবং এই “শান্তি পরিষদ” তার সেই দৃষ্টিভঙ্গিরই প্রতিফলন।

তুরস্ক, যাদের হামাস ও ফিলিস্তিনি ইস্যুতে প্রকাশ্য রাজনৈতিক অবস্থান রয়েছে, এই উদ্যোগে একটি কৌশলগত ভূমিকা পেতে পারে। এরদোয়ানের অংশগ্রহণ আঙ্কারাকে আঞ্চলিক কূটনীতির কেন্দ্রে আরও দৃশ্যমান করে তুলবে, বিশেষ করে যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল, মিসর ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে প্রভাব বিস্তার নিয়ে প্রতিযোগিতা চলছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ফোরামের কাঠামো এখনও অস্পষ্ট এবং এটি জাতিসংঘ-নেতৃত্বাধীন বিদ্যমান শান্তি উদ্যোগগুলোর সঙ্গে কীভাবে সহাবস্থান করবে তা পরিষ্কার নয়। তবে ট্রাম্পের পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে, তিনি প্রথাগত কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে “ডিলমেকিং” স্টাইলে সমাধান আনতে চান।

গাজা সংকট অব্যাহত থাকার মধ্যে এই প্রস্তাবিত পরিষদ আদৌ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে কিনা, তা নির্ভর করবে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও বাস্তব ক্ষমতার ওপর। তবুও, এরদোয়ানকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্তই দেখাচ্ছে—ট্রাম্পের নতুন কূটনৈতিক খেলায় নিয়ম বদলাচ্ছে, এবং সেই খেলায় শক্তিধর নেতারাই এখন মূল চালক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd