• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’ তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ: ছাত্র আন্দোলনের চাপ বাড়তেই সরে দাঁড়ালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে জমা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশ, ১০% ট্যারিফ কার্যকর ব্রিকস সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির, ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শীর্ষ সম্মেলন

ট্রাম্পের জরুরি আইনভিত্তিক শুল্কে সুপ্রিম কোর্টের বাধা, ৬–৩ রায়ে প্রেসিডেন্টের বাণিজ্য নীতিতে বড় ধাক্কা

Reporter Name / ২৭৪ Time View
Update : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জরুরি ক্ষমতা ব্যবহার করে ব্যাপক আমদানি শুল্ক আরোপের পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট বড় ধাক্কা দিয়েছে। শুক্রবার দেওয়া ৬–৩ রায়ে আদালত জানায়, কংগ্রেসের স্পষ্ট অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট একতরফাভাবে এমন শুল্ক আরোপ করতে পারেন না।

প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতে বলেন, সংবিধান অনুযায়ী শুল্ক নির্ধারণের ক্ষমতা “কেবল কংগ্রেসের” হাতে ন্যস্ত। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন (IEEPA)-এর অস্পষ্ট ভাষা ব্যবহার করে প্রেসিডেন্টের সীমাহীন শুল্ক আরোপের দাবি আইনের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

রবার্টস বলেন, প্রশাসন আইনের “regulate” ও “importation” শব্দ দুটির ওপর নির্ভর করে যেকোনো দেশ, পণ্য ও সময়সীমার ক্ষেত্রে শুল্ক আরোপের স্বাধীন ক্ষমতা দাবি করেছে—যা আইনের ভাষা বহন করে না।

এই মামলাটি ট্রাম্প প্রশাসনের তথাকথিত “Liberation Day” শুল্ককে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে, যেখানে প্রায় সব বাণিজ্য অংশীদারের ওপর ১০% বৈশ্বিক শুল্ক এবং কিছু দেশের ক্ষেত্রে উচ্চ “reciprocal” শুল্ক আরোপ করা হয়।

এর আগে এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতিকে “জাতীয় জরুরি অবস্থা” ঘোষণা করে প্রশাসন IEEPA প্রয়োগের আইনি ভিত্তি তৈরি করে। তবে নিম্ন আদালতগুলো — যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড এবং ফেডারেল সার্কিট আপিল আদালত — এই ব্যাখ্যা গ্রহণ করেনি এবং শুল্ক কার্যকর হওয়া আটকে দেয়।

মামলার শুনানিতে বিচারপতিরা প্রশাসনের আইনজীবীদের কাছে জানতে চান, IEEPA কি কর বা শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেয় এবং প্রেসিডেন্টের এই ক্ষমতার সীমা কী হবে। আইনে “tariffs” শব্দটির অনুপস্থিতি সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হয়ে ওঠে।

এই রায় ট্রাম্পের অর্থনৈতিক এজেন্ডার অন্যতম প্রধান নীতিতে বড় বাধা তৈরি করেছে এবং ভবিষ্যতে প্রেসিডেন্টের জরুরি ক্ষমতা ব্যবহার করে বাণিজ্য নীতি নির্ধারণের সীমা নিয়ে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd