প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার অভিযোগ করেছেন, বিদেশি মালিকানাধীন মাংস প্রক্রিয়াজাত কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রে গরুর মাংসের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়াচ্ছে। তিনি বিচার বিভাগকে (DOJ) এ বিষয়ে অবিলম্বে তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন।
রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “বিদেশি মালিকানাধীন মাংস কোম্পানিগুলো বেআইনি আঁতাত, দাম কারসাজি ও মূল্য নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে গরুর মাংসের দাম বাড়াচ্ছে—বিচার বিভাগকে আমি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা আমাদের আমেরিকান খামারিদের সুরক্ষা দেব। তাদের দোষারোপ করা হচ্ছে, অথচ প্রকৃত দোষী হলো বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানিগুলো, যারা কৃত্রিমভাবে দাম বাড়িয়ে দেশের খাদ্য নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলছে।” তবে ট্রাম্প তাঁর দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, খরা ও দীর্ঘদিনের কম দামের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে গবাদিপশুর সংখ্যা কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। তাছাড়া, ব্রাজিলের ওপর ট্রাম্পের আরোপিত শুল্কও আমদানি কমিয়েছে।
ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ আবারও খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে দুই দলের প্রেসিডেন্টদের পুরোনো বিতর্ককে সামনে এনেছে। আগের প্রশাসনে জো বাইডেনও স্বাধীন কৃষক ও খামারিদের সঙ্গে কাজ করে মাংস শিল্পে প্রতিযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে দাম নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। আর কামালা হ্যারিস প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বড় খাদ্য কোম্পানি ও সুপারমার্কেটের “অতিরিক্ত মূল্য আদায়” বন্ধ করবেন।








