• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মোদি-তারেক বৈঠক নিয়ে টানাপোড়েন: ২২-২৪ আগস্টের সময়সীমা, ‘অনুকূল পরিবেশ’ চায় ঢাকা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, ২০১৭-এর মিরপুরের পর নতুন ইতিহাস ডারউইনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশে শিল্পে স্থবিরতা, বাড়ছে বেকারত্ব বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’

ট্রাম্প কানাডা–যুক্তরাষ্ট্র সেতু বন্ধের হুমকি দিলেন, ক্ষতিপূরণ দাবি

Reporter Name / ২৩৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অন্টারিও ও মিশিগানের মধ্যে নির্মিত একটি বড় নতুন সেতু উদ্বোধন আটকে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। এতে কানাডার সঙ্গে বাণিজ্যিক উত্তেজনা নতুন করে বেড়েছে এবং বাজারে প্রবেশাধিকার, সরকারি ক্রয়নীতি ও দুগ্ধপণ্যের শুল্ক নিয়ে পুরোনো বিরোধ আবার সামনে এসেছে।

নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, কানাডা “দশকের পর দশক ধরে” যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করেছে এবং সীমান্তসংযোগ প্রকল্পটি থেকে কানাডা অসমভাবে লাভবান হচ্ছে। তাঁর দাবি, সেতুটি “প্রায় কোনো মার্কিন উপাদান ছাড়াই” নির্মিত হয়েছে এবং আগের প্রশাসনের সময় দেওয়া এক বিশেষ ছাড় ব্যবহার করে ‘বাই আমেরিকান আইন’ এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।

ট্রাম্প সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা-এর নাম উল্লেখ করে বলেন, ওই ছাড়ের ফলে মার্কিন পণ্য—বিশেষ করে স্টিল—ব্যবহার না করেই নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, এখন কানাডা কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণ ছাড়াই সেতুটি চালু করতে চায়, যা তাঁর প্রশাসন মেনে নেবে না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট অন্টারিও প্রদেশে মার্কিন মদ্যপ পানীয় বিক্রিতে বিধিনিষেধের কড়া সমালোচনা করেন এবং কানাডার দুগ্ধপণ্যে আরোপিত শুল্ককে অগ্রহণযোগ্য বলে আখ্যা দেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব শুল্ক দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন কৃষকদের আর্থিক ঝুঁকিতে ফেলেছে। ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র “সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ” না পাওয়া পর্যন্ত এবং কানাডা যুক্তরাষ্ট্রকে “ন্যায্যতা ও সম্মান” না দেখানো পর্যন্ত সেতুটি খুলতে দেওয়া হবে না।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি চীনের সঙ্গে চুক্তির পথে এগোচ্ছেন, যা শেষ পর্যন্ত কানাডার জন্য ক্ষতিকর হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র পাবে “শুধু অবশিষ্টাংশ”। এক ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যে ট্রাম্প বলেন, চীন প্রথমেই কানাডায় আইস হকি বন্ধ করে দেবে এবং স্ট্যানলি কাপ চিরতরে বিলুপ্ত করবে।

ট্রাম্প জানান, আলোচনা “অবিলম্বে” শুরু হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে সম্ভাব্য বিপুল আয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি ইঙ্গিত দেন—এই সেতু সম্পদের “অন্তত অর্ধেক” মালিকানা যুক্তরাষ্ট্রের হওয়া উচিত।

এ বিষয়ে কানাডীয় কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে এসব মন্তব্য এমন এক সময়ে সীমান্ত-পারাপারের অবকাঠামো ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্কে অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে, যখন দুই দেশের অর্থনীতি গভীরভাবে পরস্পরনির্ভরশীল।

For advertisement, write to : connect@ynewsglobal.com/ynewsglobal@gmail.com


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd