বেইজিং সফরের শেষ বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের “অসাধারণ” বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে। দীর্ঘদিনের শুল্ক উত্তেজনার মধ্যেই দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক নতুন অর্থনৈতিক বার্তা দিল বৈশ্বিক বাজারে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ঝংনানহাই কম্পাউন্ডে বৈঠক শেষে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, এই সফর অত্যন্ত সফল হয়েছে এবং উভয় দেশের জন্য লাভজনক কয়েকটি বড় চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।
বৈঠকের অন্যতম বড় ঘোষণা ছিল—চীন ২০০টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি ট্রাম্প দাবি করেন, বেইজিং যুক্তরাষ্ট্রে “শত শত বিলিয়ন ডলার” বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে।
বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট, বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। একই সময়ে মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের ঐকমত্য বাস্তবায়নে বেইজিং ওয়াশিংটনের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। এতে পারস্পরিক উন্নয়ন ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে চীন।
ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদ থেকেই যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের কেন্দ্রে রয়েছে শুল্ক যুদ্ধ। ২০১৭ সালে ট্রাম্পের চীন সফরে ২৫০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘোষণা এলেও পরবর্তীতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।