• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মোদি-তারেক বৈঠক নিয়ে টানাপোড়েন: ২২-২৪ আগস্টের সময়সীমা, ‘অনুকূল পরিবেশ’ চায় ঢাকা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, ২০১৭-এর মিরপুরের পর নতুন ইতিহাস ডারউইনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশে শিল্পে স্থবিরতা, বাড়ছে বেকারত্ব বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড: সামরিক আইন জারি করে বিদ্রোহের দায়ে ঐতিহাসিক রায়

Reporter Name / ২০১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে সামরিক আইন জারি করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের চেষ্টার ঘটনায় বিদ্রোহের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দেশটির কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটের নাটকীয় পরিণতি হিসেবে এই রায়কে দেখা হচ্ছে।

২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর বিরোধী দলের নিয়ন্ত্রণে থাকা আইনসভাকে পাশ কাটাতে সামরিক আইন ঘোষণা করেন ইউন সুক ইওল। একই সঙ্গে সংসদ ভবন ঘিরে রাখতে সেনা মোতায়েন করা হয়। এই পদক্ষেপের পর তিনি ক্ষমতা হারান এবং ঘটনাটি ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্ম দেয়।

রায়ে বিচারক জি কুই-ইউন বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট সামরিক ও পুলিশ বাহিনী ব্যবহার করে লিবারেল নেতৃত্বাধীন জাতীয় পরিষদ দখল, রাজনীতিকদের গ্রেপ্তার এবং উল্লেখযোগ্য সময়ের জন্য নিয়ন্ত্রণহীন ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিলেন। আদালত এই কর্মকাণ্ডকে বিদ্রোহ হিসেবে বিবেচনা করেছে।

বিশেষ কৌঁসুলি ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছিলেন। তাদের যুক্তি ছিল, এই পদক্ষেপ দক্ষিণ কোরিয়ার গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, পরিকল্পনাটি দুর্বলভাবে বাস্তবায়িত হওয়া এবং কোনো প্রাণহানি না ঘটায় আদালত যাবজ্জীবন দণ্ড দিয়েছে।

রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সম্ভাবনা রয়েছে। আপিল প্রক্রিয়া শুরু হলে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

For advertisement, write to : connect@ynewsglobal.com/ynewsglobal@gmail.com


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd