দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে সামরিক আইন জারি করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের চেষ্টার ঘটনায় বিদ্রোহের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দেশটির কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটের নাটকীয় পরিণতি হিসেবে এই রায়কে দেখা হচ্ছে।
২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর বিরোধী দলের নিয়ন্ত্রণে থাকা আইনসভাকে পাশ কাটাতে সামরিক আইন ঘোষণা করেন ইউন সুক ইওল। একই সঙ্গে সংসদ ভবন ঘিরে রাখতে সেনা মোতায়েন করা হয়। এই পদক্ষেপের পর তিনি ক্ষমতা হারান এবং ঘটনাটি ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্ম দেয়।
রায়ে বিচারক জি কুই-ইউন বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট সামরিক ও পুলিশ বাহিনী ব্যবহার করে লিবারেল নেতৃত্বাধীন জাতীয় পরিষদ দখল, রাজনীতিকদের গ্রেপ্তার এবং উল্লেখযোগ্য সময়ের জন্য নিয়ন্ত্রণহীন ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিলেন। আদালত এই কর্মকাণ্ডকে বিদ্রোহ হিসেবে বিবেচনা করেছে।
বিশেষ কৌঁসুলি ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছিলেন। তাদের যুক্তি ছিল, এই পদক্ষেপ দক্ষিণ কোরিয়ার গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, পরিকল্পনাটি দুর্বলভাবে বাস্তবায়িত হওয়া এবং কোনো প্রাণহানি না ঘটায় আদালত যাবজ্জীবন দণ্ড দিয়েছে।
রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সম্ভাবনা রয়েছে। আপিল প্রক্রিয়া শুরু হলে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
For advertisement, write to : connect@ynewsglobal.com/ynewsglobal@gmail.com