• বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’ তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ: ছাত্র আন্দোলনের চাপ বাড়তেই সরে দাঁড়ালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে জমা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশ, ১০% ট্যারিফ কার্যকর ব্রিকস সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির, ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শীর্ষ সম্মেলন

বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান উন্নয়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন

Reporter Name / ৬১৮ Time View
Update : বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একটি জনগণকেন্দ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করে  ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন রূপরেখা, যেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যুব কর্মসংস্থান এবং ডিজিটাল অবকাঠামোকে জাতীয় অগ্রাধিকারের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে উন্নয়ন হবে গ্রাম থেকে শহরভিত্তিক, পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়িত এবং পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে।

1.শিক্ষা: দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের ভিত্তি

প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৩.৫ লাখ শিক্ষককে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে, যা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হবে।

মূল প্রস্তাবসমূহ:

  • অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে বাধ্যতামূলক ভোকেশনাল শিক্ষা

  • নির্বাচিত খেলাধুলা, শিল্প ও সংস্কৃতি কার্যক্রম বাধ্যতামূলক

  • ওপেন ইংলিশ লার্নিং প্রোগ্রাম

  • কর্মসংস্থানের অঞ্চলভিত্তিক ভাষা প্রশিক্ষণ

লক্ষ্য—পরীক্ষাভিত্তিক নয়, বরং কর্মসংস্থানযোগ্য শিক্ষার্থী তৈরি।

2.স্বাস্থ্য: চিকিৎসার আগে প্রতিরোধ

স্বাস্থ্য খাতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিয়ে বাড়ি বাড়ি সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হবে।

এছাড়া:

  • বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে সরকারি চুক্তি

  • ডায়ালাইসিসসহ গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসায় নির্ধারিত খরচ

  • দরিদ্র জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা ব্যয় সরকারি কল্যাণ তহবিল থেকে বহন

  • দ্রুত ও সহজ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ

3.নারী ও পরিবার কল্যাণ

গ্রামভিত্তিক ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে গৃহিণীরা সরাসরি সুবিধাভোগী হবেন। পাইলট প্রকল্প সফল হলে পাঁচ বছরে এটি জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হবে।

4.কৃষি ও কৃষক সহায়তা

কৃষক ক্রেডিট সংস্কার কর্মসূচির আওতায় কৃষকরা সর্বোচ্চ ১.৫ কোটি টাকা পর্যন্ত সরাসরি সহায়তা পেতে পারেন।

প্রধান উদ্যোগ:

  • ফসল নির্বাচন, বীজ ও সার সংক্রান্ত ডিজিটাল গাইডলাইন

  • মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বৃষ্টি ও আবহাওয়া পূর্বাভাস

  • সহজ ও স্বচ্ছ কৃষিঋণ ব্যবস্থা

5.খাদ্য নিরাপত্তা

খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এতে বাজারে কৃত্রিম সংকট রোধ ও মূল্য স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।

6.ডিজিটাল অবকাঠামো ও সংযোগ

পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত:

  • জনসমাগমপূর্ণ স্থানে বিনামূল্যে Wi-Fi

  • বিজ্ঞাপনভিত্তিক বিজনেস লাউঞ্জ ইন্টারনেট সুবিধা

  • নার্সিং ও কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যের আসন

7.শিল্প ও সংস্কৃতি: জাতীয় পরিচয় ও সৃজনশীল অর্থনীতি

পরিকল্পনায় শিল্প ও সংস্কৃতিকে শিক্ষা ও অর্থনীতির সঙ্গে সংযুক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী—

  • স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে শিল্প, সংগীত, নাটক ও লোকসংস্কৃতি চর্চা বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে

  • স্থানীয় শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের জন্য তহবিল ও প্রশিক্ষণ সহায়তা বাড়ানো হবে

  • গ্রামভিত্তিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন করে লোকজ ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি

  • ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বাংলা সংস্কৃতির কনটেন্ট মনিটাইজেশন সহজীকরণ

  • জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি জোরদার

এই উদ্যোগগুলোর লক্ষ্য—সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশ, সাংস্কৃতিক পরিচয় সংরক্ষণ এবং সংস্কৃতি-ভিত্তিক অর্থনীতিতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

8.যুব কর্মসংস্থান ও ডিজিটাল অর্থনীতি

যুবদের জন্য বিশেষ ওয়ার্কস্পেস তৈরি করা হবে। পাশাপাশি একটি নতুন কনটেন্ট মনিটাইজেশন নীতি প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে, যাতে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ের স্বচ্ছতা ও ন্যায্য আয় নিশ্চিত হয়।

দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি

বিএনপির এই রূপরেখা অনুযায়ী প্রথম পর্যায়ে অবকাঠামো ও মানবসম্পদ উন্নয়ন, এরপর ধাপে ধাপে জাতীয় বাস্তবায়ন। লক্ষ্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষিতে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করা।

For advertisement, write to : connect@ynewsglobal.com


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd