• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’ তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ: ছাত্র আন্দোলনের চাপ বাড়তেই সরে দাঁড়ালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে জমা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশ, ১০% ট্যারিফ কার্যকর ব্রিকস সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির, ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শীর্ষ সম্মেলন

বিলি আইলিশ ইস্যুতে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট, ৩০ ঘণ্টা আটকের পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত অস্ট্রেলীয় কর্মী

Reporter Name / ১৮৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক কর্মী ড্রু পাভলু দাবি করেছেন, পপ তারকা বিলি আইলিশকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে করা এক ব্যঙ্গাত্মক প্রচারণার জেরে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (এলএএক্স) প্রায় ৩০ ঘণ্টা আটক রাখার পর দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

২৬ বছর বয়সী ব্রিসবেন-জন্ম এই কর্মী বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি আইলিশের লস অ্যাঞ্জেলেসের বাড়িতে “গিয়ে ওঠার” পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিলেন, যা পরে তিনি ব্যঙ্গ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।

পাভলুর ভাষ্য অনুযায়ী, গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে পরিবেশবিষয়ক পুরস্কার গ্রহণকালে আইলিশের মন্তব্য—“চুরি হওয়া জমিতে কেউ অবৈধ নয়”—এর প্রতিক্রিয়াতেই তিনি এই প্রচারণা চালান। তবে তিনি আগেই গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, তিনি কোনো বেআইনি কাজ করবেন না এবং দরজায় বেল বাজিয়ে যদি তাকে চলে যেতে বলা হয়, সঙ্গে সঙ্গে সরে যাবেন।

পাভলু অভিযোগ করেন, “আমার পোস্টগুলো ছিল কৌতুক, বাস্তবে আমি তার বাড়িতে গিয়ে ওঠার পরিকল্পনা করিনি—এটা বোঝাতে ৩০ ঘণ্টা চেষ্টা করেছি।” তিনি আরও বলেন, কিছু কর্মকর্তা বিষয়টিকে হালকাভাবে নিলেও শেষ পর্যন্ত তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি এবং বহিষ্কারের সুনির্দিষ্ট কারণও নিশ্চিত করা হয়নি। বিলি আইলিশও প্রকাশ্যে এ নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের সমর্থনে প্রতিবাদের মাধ্যমে পাভলু প্রথম আলোচনায় আসেন, যখন তিনি ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডে অধ্যয়নরত ছিলেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি মার্কিন রক্ষণশীল মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন এবং বিভিন্ন অনলাইন স্টান্ট ও রাজনৈতিক মন্তব্যের মাধ্যমে শিরোনাম হয়েছেন।

ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমের কার্যকলাপ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার সংযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা উসকে দিয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা না আসা পর্যন্ত পাভলুর বহিষ্কারের প্রকৃত কারণ অনিশ্চিতই রয়ে গেছে।

connect@ynewsglobal.com/ynewsglobal@gmail.com


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd