• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মোদি-তারেক বৈঠক নিয়ে টানাপোড়েন: ২২-২৪ আগস্টের সময়সীমা, ‘অনুকূল পরিবেশ’ চায় ঢাকা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, ২০১৭-এর মিরপুরের পর নতুন ইতিহাস ডারউইনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশে শিল্পে স্থবিরতা, বাড়ছে বেকারত্ব বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’

ভারত-আমেরিকা নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি: আগামী ১০ বছরে কৌশলগত সহযোগিতার নতুন দিগন্ত

Reporter Name / ৩০১ Time View
Update : শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫

ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী দশ বছর ধরে প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

কুয়ালালামপুরে বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিষয়ক সচিব পিট হেগসেথ ও ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এই চুক্তির ঘোষণা দেন।

চুক্তিটি দুই দেশের মধ্যে “সহযোগিতা, তথ্য বিনিময় ও কারিগরি অংশীদারিত্ব” আরও শক্তিশালী করবে বলে নিজের এক্স (X) হ্যান্ডেলে মন্তব্য করেছেন মি. হেগসেথ। তিনি আরও লিখেছেন, এটি “আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও প্রতিরোধ ক্ষমতা” বৃদ্ধিতেও সহায়তা করবে।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর যে বাণিজ্যিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, সেই অবস্থার মধ্যেই দুই দেশ এখন নতুন বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা চুক্তির পথে এগোচ্ছে।

রাজনাথ সিং এক্স-এ লিখেছেন, “এই চুক্তি আমাদের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত ঘনিষ্ঠতার প্রতিফলন। অংশীদারিত্বের এক নতুন দশক সূচিত হলো। প্রতিরক্ষা খাত আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হয়ে থাকবে।”

তিনি আরও জানান, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে একটি উন্মুক্ত, স্বচ্ছ ও নিয়মনির্ভর এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে এই অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

থিংক ট্যাংক ইউরেশিয়া গ্রুপ-এর বিশ্লেষক প্রমিত পাল চৌধুরী জানান, চুক্তিটি আসলে জুলাই-অগাস্টেই সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। তবে ভারত-পাকিস্তান ইস্যুতে মি. ট্রাম্পের ধারাবাহিক মন্তব্যে দিল্লির অসন্তোষের কারণেই দেরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক প্রবেশাধিকার সহজ করা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যেই এই নতুন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।”

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত-আমেরিকার সামরিক সহযোগিতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভারতের কাছে সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির পরিমাণ আরও কয়েক বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করবে।

তারই ধারাবাহিকতায় দিল্লি সম্প্রতি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান পেয়েছে। তবে রাশিয়া থেকে স্বল্পমূল্যে তেল আমদানি ও মস্কোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক ট্রাম্প প্রশাসনের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যদিও ভারতের প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী হিসেবে রাশিয়া এখনো গুরুত্বপূর্ণ, দিল্লি এখন অস্ত্র ক্রয়ে বৈচিত্র্য আনার পাশাপাশি দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদন বাড়ানোর দিকেই মনোযোগী।

সম্প্রতি ভারত ইঙ্গিত দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে শক্তি ও প্রতিরক্ষা খাতে আরও বড় মাত্রায় আমদানি বাড়ানোর ব্যাপারে তারা আগ্রহী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd