• বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’ তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ: ছাত্র আন্দোলনের চাপ বাড়তেই সরে দাঁড়ালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে জমা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশ, ১০% ট্যারিফ কার্যকর ব্রিকস সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির, ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শীর্ষ সম্মেলন

মস্কোতে কঠোর নিরাপত্তায় বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ, ইউক্রেন যুদ্ধে জয়ের বার্তা পুতিনের

Reporter Name / ১৩৬ Time View
Update : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

মস্কোর রেড স্কয়ারে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে রাশিয়ার ঐতিহাসিক বিজয় দিবসের সামরিক কুচকাওয়াজ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির পরাজয়ের স্মরণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধে বিজয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন।

রেড স্কয়ারে ভাষণে পুতিন বলেন, “বিজয় সবসময় আমাদের ছিল এবং ভবিষ্যতেও আমাদেরই থাকবে।” তিনি ইউক্রেনে যুদ্ধরত রুশ সেনাদের প্রশংসা করে দাবি করেন, তারা ন্যাটো জোটের সমর্থিত একটি “আগ্রাসী শক্তির” বিরুদ্ধে লড়াই করছে।

এবারের কুচকাওয়াজে গত প্রায় দুই দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো ট্যাংক, ক্ষেপণাস্ত্র ও ভারী অস্ত্রের অনুপস্থিতি চোখে পড়ে। শুধুমাত্র যুদ্ধবিমানের ফ্লাইওভার রাখা হয়। ক্রেমলিন জানিয়েছে, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য ইউক্রেনীয় হামলার ঝুঁকির কারণে আয়োজনের ধরনে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

মস্কোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়, কারণ অনুষ্ঠানে পুতিনের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ঘোষিত তিন দিনের যুদ্ধবিরতি সাময়িকভাবে উত্তেজনা কমালেও রাশিয়া আশঙ্কা করছে, ইউক্রেন রাজধানীকে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা করতে পারে।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, যদি ইউক্রেন বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান ব্যাহত করার চেষ্টা করে, তাহলে কিয়েভের কেন্দ্রস্থলে “ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা” চালানো হবে। একই সঙ্গে কিয়েভে অবস্থানরত বেসামরিক নাগরিক ও বিদেশি কূটনৈতিক মিশনের কর্মীদের শহর ছাড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানিয়েছে, তাদের কূটনীতিকরা ইউক্রেনের রাজধানী ত্যাগ করবেন না।

দীর্ঘ এক হাজার কিলোমিটারেরও বেশি ফ্রন্টলাইনে রুশ বাহিনী ধীরে ধীরে অগ্রগতি অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে ইউক্রেন দূরপাল্লার ড্রোন হামলার সক্ষমতা বাড়িয়ে রাশিয়ার অভ্যন্তরে জ্বালানি স্থাপনা, সামরিক গুদাম ও শিল্প কারখানায় আঘাত হানছে।

রাশিয়ায় বিজয় দিবস এখনও জাতীয় ঐক্যের অন্যতম প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। ইউক্রেন যুদ্ধের পঞ্চম বছরে প্রবেশের প্রেক্ষাপটে এই আয়োজনকে ক্রেমলিন সামরিক শক্তি প্রদর্শন ও জনসমর্থন ধরে রাখার গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd