• বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’ তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ: ছাত্র আন্দোলনের চাপ বাড়তেই সরে দাঁড়ালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে জমা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশ, ১০% ট্যারিফ কার্যকর ব্রিকস সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির, ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শীর্ষ সম্মেলন

মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়ার স্যাটেলাইট চিত্র ইরানের হাতে পৌঁছাচ্ছে; একই সময়ে চীন সতর্ক অবস্থানে থেকেও সহায়তার সম্ভাবনা বিবেচনা করছে।

Reporter Name / ১৯১ Time View
Update : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬

মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে পরিচিত একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রাশিয়া ইরানকে মার্কিন সেনা, যুদ্ধজাহাজ এবং সামরিক বিমানের অবস্থান ও গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে মস্কো পরোক্ষভাবে সংঘাতে সম্পৃক্ত হতে পারে।

সূত্রগুলোর মতে, রাশিয়ার সরবরাহ করা তথ্যের একটি বড় অংশ এসেছে তাদের উন্নত স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক থেকে সংগৃহীত আকাশচিত্র থেকে। তবে এই সহায়তার বিনিময়ে রাশিয়া কী পাচ্ছে তা স্পষ্ট নয়।

এই বিষয়ে মন্তব্যের জন্য ক্রেমলিন এবং ওয়াশিংটনে রাশিয়ার দূতাবাসের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট ইরানি হামলাকে সরাসরি রাশিয়ার গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে যুক্ত করা যায়নি। তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের কয়েকটি ড্রোন হামলা এমন স্থানে আঘাত হেনেছে যেখানে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছিল।

রবিবার কুয়েতে মার্কিন সেনাদের একটি অস্থায়ী ঘাঁটিতে ইরানি ড্রোন হামলায় ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

একটি গোয়েন্দা সূত্রের ভাষায়, “এটি দেখায় যে রাশিয়া এখনও ইরানের প্রতি ঘনিষ্ঠ অবস্থান বজায় রেখেছে।”

এদিকে মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য আরও ইঙ্গিত করছে যে চীন ইরানকে আর্থিক সহায়তা, খুচরা যন্ত্রাংশ এবং ক্ষেপণাস্ত্র উপাদান সরবরাহের প্রস্তুতি নিতে পারে। যদিও এখন পর্যন্ত বেইজিং সরাসরি সংঘাতে জড়ায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, চীন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে কারণ তাদের জ্বালানি নিরাপত্তা অনেকটাই ইরানি তেলের ওপর নির্ভরশীল। একই সঙ্গে তারা তেহরানের ওপর চাপ দিচ্ছে যাতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক থাকে।

মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এই বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

অন্যদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সাংবাদিকদের বলেছেন, ইরান সংঘাতে রাশিয়া ও চীন “প্রধান কোনো ভূমিকা রাখছে না।”

গত কয়েক বছরে রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়তে দেখা গেছে। ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য ইরান রাশিয়াকে শাহেদ ড্রোন ও স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে এবং রাশিয়ার ভেতরে ইরানি নকশার ড্রোন তৈরির একটি বড় কারখানা স্থাপনে সহায়তা করেছে।

এর বিপরীতে ইরান রাশিয়ার কাছ থেকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শক্তিশালী করার প্রযুক্তিগত সহায়তা চেয়েছে বলে মার্কিন সূত্রগুলো জানিয়েছে।

বর্তমানে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে প্রায় পঞ্চাশ হাজারের বেশি সেনা, দুই শতাধিক যুদ্ধবিমান এবং দুটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন রয়েছে বলে মার্কিন সেন্টকম কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার জানিয়েছেন।

পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের মতে, অভিযানের মূল লক্ষ্য ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি এগিয়ে নিতে ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে একটি “ঢাল” হিসেবে ব্যবহার করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd