• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মোদি-তারেক বৈঠক নিয়ে টানাপোড়েন: ২২-২৪ আগস্টের সময়সীমা, ‘অনুকূল পরিবেশ’ চায় ঢাকা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, ২০১৭-এর মিরপুরের পর নতুন ইতিহাস ডারউইনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশে শিল্পে স্থবিরতা, বাড়ছে বেকারত্ব বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’

মোদিকে ‘নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ’-এর আশ্বাস দিলেন পুতিন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপ বাড়লেও বদলাচ্ছে না ভারতের অবস্থান

Reporter Name / ৪১১ Time View
Update : শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, মস্কো ভারতকে “নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ” দিতে প্রস্তুত—একই সময়ে যখন ওয়াশিংটন নয়াদিল্লির রাশিয়ান তেল আমদানিতে লাগাম টানতে চাপ বাড়াচ্ছে।

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে যৌথ বক্তব্যে পুতিন এই প্রতিশ্রুতি দেন। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আক্রমণের পর প্রথমবার ভারতের মাটিতে পা রাখলেন তিনি যে আক্রমণের জেরে মস্কোর ওপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা জারি হয়।

সেই নিষেধাজ্ঞার পর রুশ জ্বালানির নতুন বাজার খুঁজে নিতে বাধ্য হয় মস্কো। এ পরিস্থিতিতে ভারত দ্রুতই রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের অন্যতম বড় ক্রেতায় পরিণত হয়েছে। ফিনল্যান্ডের Centre for Research on Energy and Clean Air–এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবর মাসে রাশিয়ার মোট ক্রুড এক্সপোর্টের ৩৮% কিনেছে ভারত।

ওই মাসেই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার দুই বৃহৎ তেল কোম্পানি রসনেফটলুকয়েল—এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। এর আগে, আগস্টে রাশিয়ান তেল কেনার জন্য ভারতের ওপর ২৫% শুল্ক বসানো হয়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখেও জ্বালানি ও সামরিক সরঞ্জামে রাশিয়ার উপর নির্ভরশীল থাকায়—ভারতকে সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখতে হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার ভারতীয় এক টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুতিন প্রশ্ন তোলেন: যুক্তরাষ্ট্র নিজে যখন রাশিয়া থেকে পারমাণবিক জ্বালানি কিনছে, ভারত কেন পারবে না? তাঁর কথায়, “আমেরিকা যদি আমাদের ফুয়েল কিনতে পারে, তাহলে ভারতের কেন সেই অধিকার থাকবে না?”

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা রসঅ্যাটম ইতোমধ্যেই তামিলনাডুর কুদানকুলাম পারমাণবিক প্রকল্পে রিয়্যাক্টর ও জ্বালানি সরবরাহ করছে, যার মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৬,০০০ মেগাওয়াট।

পুতিন বলেন, ভারত–রাশিয়া জ্বালানি অংশীদারিত্ব বহুদিনের, এবং মস্কো ভারতকে “তেল, গ্যাস, কয়লা—উন্নয়নের জন্য যা যা দরকার সবকিছুর” নির্ভরযোগ্য যোগানদাতা।

এদিকে গত মাসে ভারত ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি “ঐতিহাসিক চুক্তি” ঘোষণা করে, যার আওতায় রাষ্ট্রায়ত্ত ভারতীয় তেল কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে বছরে ২.২ মিলিয়ন টন এলপিজি আমদানি করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd