• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মোদি-তারেক বৈঠক নিয়ে টানাপোড়েন: ২২-২৪ আগস্টের সময়সীমা, ‘অনুকূল পরিবেশ’ চায় ঢাকা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, ২০১৭-এর মিরপুরের পর নতুন ইতিহাস ডারউইনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশে শিল্পে স্থবিরতা, বাড়ছে বেকারত্ব বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’

যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে বাংলাদেশিদের ১৫ হাজার ডলারের ‘ভিসা বন্ড’: ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর, নির্দিষ্ট তিন বিমানবন্দরে বাধ্যতামূলক প্রবেশ

Reporter Name / ২৬০ Time View
Update : বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এনে বাংলাদেশসহ আরও ২৫টি দেশকে যুক্ত করেছে ‘ভিসা বন্ড’ তালিকায়। এর ফলে মোট ৩৮টি দেশের নাগরিকদের জন্য B-1/B-2 (ব্যবসা ও পর্যটন) ভিসায় সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জামানত বা বন্ড জমা দেওয়ার বিধান কার্যকর হচ্ছে। নতুন তালিকার দেশগুলোর জন্য এই নিয়ম ২১ জানুয়ারি থেকে চালু হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, বাংলাদেশি আবেদনকারীদের ভিসা পেতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত অনলাইন হিসাবে এই অর্থ বন্ড হিসেবে জমা রাখতে হবে—বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৮ লাখ টাকা। ভিসার শর্ত মেনে সময়মতো যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে বন্ডের অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে। তবে কেউ শর্ত লঙ্ঘন করলে—যেমন নির্ধারিত সময়ের বেশি থাকা বা নিয়ম ভাঙলে—এই অর্থ ফেরত দেওয়া হবে না।

তিনটি নির্ধারিত প্রবেশদ্বার
নতুন U.S. Visa Bond Pilot Program (VBPP)-এর আওতায় বাংলাদেশি ভিসাধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে হবে নির্দিষ্ট তিনটি বিমানবন্দর দিয়ে—

  • নিউইয়র্কের জন এফ. কেনেডি (JFK)

  • বোস্টনের লোগান (BOS)

  • ওয়াশিংটনের ডালেস (IAD)

এই তিনটির বাইরে অন্য কোনো পোর্ট দিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করলে প্রবেশে বাধা, এমনকি ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতার ঝুঁকি থাকবে বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।

কেন এই নীতি
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ভাষ্য, যেসব দেশে ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান (ওভারস্টে) করার হার তুলনামূলক বেশি—সেসব দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে শর্ত মানা নিশ্চিত করতেই এই বন্ড ব্যবস্থা। প্রথমে ১৩টি দেশের জন্য চালুর এক সপ্তাহের মধ্যেই আরও ২৫টি দেশ যোগ করে তালিকা ৩৮-এ উন্নীত করা হয়।

কারা প্রভাবিত হবেন
এই বিধান মূলত B-1/B-2 ক্যাটাগরির ব্যবসা ও পর্যটন ভিসা আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বন্ডের অঙ্ক আবেদনকারীর ঝুঁকি প্রোফাইল অনুযায়ী ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত নির্ধারণ হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত স্বল্পমেয়াদে বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের জন্য ব্যয় ও প্রক্রিয়াগত জটিলতা বাড়াবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ভিসা শর্ত পালনে কড়াকড়ি আরোপ করে ওভারস্টে কমানো।

For advertisement, write to : connect@ynewsglobal.com/ynewsglobal@gmail.com


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd