• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মোদি-তারেক বৈঠক নিয়ে টানাপোড়েন: ২২-২৪ আগস্টের সময়সীমা, ‘অনুকূল পরিবেশ’ চায় ঢাকা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, ২০১৭-এর মিরপুরের পর নতুন ইতিহাস ডারউইনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশে শিল্পে স্থবিরতা, বাড়ছে বেকারত্ব বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’

সুদানে ড্রোন হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর জানাজা ঢাকায়, রাষ্ট্রপতি ও তিন বাহিনীর রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা

Reporter Name / ৪৩২ Time View
Update : রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫

সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি সেনাসদস্যের জানাজা রোববার সকালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকার ক্যান্টনমেন্টের কেন্দ্রীয় মসজিদে আয়োজিত জানাজায় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল নজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান হাসান মাহমুদ খানসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন।

জানাজা শেষে রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে নিহতদের কফিনে ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকেও আলাদা করে সম্মান জানানো হয়।

নিহত শান্তিরক্ষীদের মরদেহ হেলিকপ্টারে নিজ নিজ জেলায় পাঠানো হবে। সেখানে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় তাদের দাফন সম্পন্ন করা হবে। শনিবার সকালে মরদেহগুলো ঢাকায় পৌঁছায়।

গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবিয়েই অঞ্চলে একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীর ড্রোন হামলায় ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হন। একই ঘটনায় আরও আটজন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী আহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন কর্পোরাল মো. মাসুদ রানা, সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম, শামীম রেজা ও শান্ত মণ্ডল, মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং লন্ড্রি কর্মী মো. সবুজ মিয়া। আহতদের মধ্যে রয়েছেন একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল, একজন সার্জেন্ট, একজন কর্পোরাল, একজন ল্যান্স কর্পোরাল এবং চারজন সৈনিক।

এই হামলার পর শান্তিরক্ষা মিশনে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই অন্যতম বৃহৎ সেনা প্রেরণকারী দেশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

For advertisement, write to : connect@ynewsglobal.com


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd