ইংল্যান্ডের স্থানীয় নির্বাচনের আংশিক ফলাফলে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি বড় ধাক্কা খেয়েছে। বিপরীতে, নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন কট্টর-ডানপন্থী রিফর্ম ইউকে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।
শুক্রবার প্রকাশিত প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যায়, ইংল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের শ্রমজীবী অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় রিফর্ম ইউকে শত শত কাউন্সিল আসনে জয় পেয়েছে। বিশেষ করে হার্টলপুলসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে দলটির শক্ত অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন কার্যত স্টারমার সরকারের জনপ্রিয়তার ওপর এক অনানুষ্ঠানিক গণভোটে পরিণত হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বিপুল বিজয়ে ক্ষমতায় আসার পর দুই বছর না পেরোতেই লেবারের প্রতি জনসমর্থন কমে যাওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।
শুক্রবার দিনজুড়ে আরও ফল প্রকাশিত হবে। লন্ডনের মতো লেবারের শক্ত ঘাঁটি ছাড়াও স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের স্বায়ত্তশাসিত পার্লামেন্ট নির্বাচনগুলোর ভোট গণনাও চলছে।
দলের ভেতরে ইতোমধ্যেই চাপ বাড়ছে স্টারমারের ওপর। বড় ধরনের পরাজয় নিশ্চিত হলে তাকে নেতৃত্ব থেকে সরানোর উদ্যোগ নিতে পারেন অসন্তুষ্ট লেবার এমপিরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের ধারণা, আপাতত টিকে গেলেও পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে স্টারমার হয়তো লেবারের নেতৃত্বে থাকবেন না।
তবে উপপ্রধানমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি দলকে সতর্ক করে বলেছেন, “উড়ন্ত বিমানের পাইলট বদলানো যায় না।” তার এই মন্তব্যে স্পষ্ট, লেবারের শীর্ষ নেতৃত্ব এখনো স্টারমারের পাশে থাকার বার্তা দিতে চাইছে।