• শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’ তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ: ছাত্র আন্দোলনের চাপ বাড়তেই সরে দাঁড়ালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে জমা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশ, ১০% ট্যারিফ কার্যকর ব্রিকস সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির, ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শীর্ষ সম্মেলন মোদির ঘোষণা: প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন

হরমুজে জাহাজ এসকর্টে আপাতত অস্বীকৃতি মার্কিন নৌবাহিনীর, তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা বাড়ছে

Reporter Name / ১৭০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে, ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে আপাতত হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে সামরিক এসকর্ট দেওয়া সম্ভব নয়। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত সূত্রগুলোর মতে, হামলার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি হওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে শিপিং শিল্পের প্রায় প্রতিদিনের অনুরোধ সত্ত্বেও নৌবাহিনী এ ধরনের সহায়তা দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে।

এই মূল্যায়ন ইঙ্গিত করছে যে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানিতে বিঘ্ন দীর্ঘায়িত হতে পারে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল পরিবাহিত হয়।

নৌবাহিনীর এই অবস্থান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের সঙ্গে কিছুটা ভিন্ন সুর তৈরি করছে। ট্রাম্প পূর্বে বলেছেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করতে নৌ এসকর্ট দিতে প্রস্তুত।

তবে নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে নৌবাহিনীর অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন বলছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সামরিক এসকর্ট প্রদান করলে মার্কিন বাহিনী ও বাণিজ্যিক জাহাজ উভয়ই সম্ভাব্য হামলার বড় ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি হরমুজ প্রণালীতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি দীর্ঘ সময় অস্থির থাকে, তাহলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়তে পারে এবং তেলের দামে নতুন চাপ তৈরি হতে পারে, কারণ এই পথেই বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের সমুদ্রপথে তেল পরিবহন সম্পন্ন হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd