• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মোদি-তারেক বৈঠক নিয়ে টানাপোড়েন: ২২-২৪ আগস্টের সময়সীমা, ‘অনুকূল পরিবেশ’ চায় ঢাকা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, ২০১৭-এর মিরপুরের পর নতুন ইতিহাস ডারউইনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশে শিল্পে স্থবিরতা, বাড়ছে বেকারত্ব বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা টাইফুন ডলফিনে জাপানে ৪৪ হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, চীনে আঘাতের শঙ্কা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি, দুই বছর পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন সার্জিও গর ঢাকা সফরে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা শেখ হাসিনার দাবি: ‘পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সত্যের ভিত্তিতে হতে হবে’ জিদানের হাতে ফ্রান্স: ২০৩০ বিশ্বকাপ মিশনে নতুন অধ্যায়, ‘এটাই ছিল আমার একমাত্র চাওয়া’

ইউরোপ ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নববর্ষ উদযাপন নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ বৃদ্ধি

Reporter Name / ৩২৪ Time View
Update : শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫

ফ্রান্স, জার্মানি ও অস্ট্রেলিয়ায় উৎসব বাতিলের দাবিতে বাজার ও নীতিনির্ধারকদের নজর

বিশ্বজুড়ে নববর্ষ উদযাপন ঘিরে যখন পর্যটন ও ভোক্তা ব্যয়ের প্রত্যাশা বাড়ছিল, তখন ফ্রান্স, জার্মানি এবং অস্ট্রেলিয়া–তে বড় পরিসরের নববর্ষ উদযাপন বাতিল বা সীমিত করার দাবিকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ভাষ্যে দাবি করা হচ্ছে, ইউরোপে নিরাপত্তা ঝুঁকি—বিশেষ করে সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত আশঙ্কা—বাড়ায় সরকারগুলো বড় জনসমাগম এড়িয়ে চলার পথে হাঁটছে। যদিও সংশ্লিষ্ট সরকারগুলোর পক্ষ থেকে সব দাবির আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ এখনো পাওয়া যায়নি, তবু এই আলোচনা বিনিয়োগকারী, পর্যটন শিল্প এবং নিরাপত্তা নীতিনির্ধারকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

বাজার ও পর্যটন খাতে প্রভাব

Bloomberg-ধাঁচের বিশ্লেষণে দেখা যায়, বছরের শেষ প্রান্তিকে নববর্ষ উদযাপন সাধারণত ইউরোপের হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও পরিবহন খাতে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব এনে দেয়। সম্ভাব্য বাতিল বা সীমিত আয়োজন:

  • পর্যটন শেয়ার ও এয়ারলাইন খাতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে

  • শহরভিত্তিক খুচরা ব্যবসার বিক্রি কমাতে পারে

  • নিরাপত্তা ব্যয় ও রাষ্ট্রীয় নজরদারি বাজেট বাড়াতে পারে

রাজনৈতিক ও নীতিগত বিতর্ক

ফ্রান্সকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে এমন মন্তব্যও ছড়িয়েছে যে, দেশটি নাকি তার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে—এক সময় যাকে “বিশ্বের অন্যতম সুন্দর দেশ” হিসেবে বিবেচনা করা হতো। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য শুধু অভ্যন্তরীণ রাজনীতিই নয়, ইউরোপের অভিবাসন ও নিরাপত্তা নীতির ওপরও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।

সামনে কী?

নীতিনির্ধারকরা এখন একদিকে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অন্যদিকে অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখার মধ্যে ভারসাম্য খোঁজার চাপে রয়েছেন। নববর্ষ উদযাপন ঘিরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও তার অর্থনৈতিক প্রভাব আগামী সপ্তাহগুলোতে বৈশ্বিক বাজারের নজরে থাকবে।

For Advertisement, write to : connect@ynewsglobal.com


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd